শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:২০ রাত
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাসিনার প্রত্যর্পণ প্রশ্নে যা বললেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর (ভিডিও)

নতুন করে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে টানাপড়েনের মুহূর্তে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারতে আশ্রয় এবং প্রত্যর্পণ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। হাসিনার প্রত্যর্পণ চেয়ে বাংলাদেশ সরকার একাধিকবার ভারত সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে শশী থারুর বলেন, প্রত্যর্পণের বিষয়টি অত্যন্ত জটিল আইনি প্রক্রিয়া। এই চুক্তির সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িয়ে আছে, যা খুব কম বিশেষজ্ঞই পুরোপুুরি বোঝেন। থারুর বলেন যে, কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ভারত সরকারের উচিত সমস্ত আইনি দিক সাবধানতার সঙ্গে খতিয়ে দেখা।

advertisement

যথাযথ বিবেচনার জন্য বিষয়টি ভারত সরকারের ওপর ছেড়ে দেয়ার পরামর্শ দেন তিনি। শশী থারুর বলেন- ইতিমধ্যে যখন আমরা (ভারত) একজন ভালো বন্ধুর প্রতি আতিথেয়তা দেখাচ্ছি- তখন আমার মনে হয় আমাদের তাকে নিরাপদে থাকতে দেয়া উচিত যতক্ষণ না সরকার এই সমস্ত বিষয়গুলো আরও সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে।

সংবাদ সংস্থাকে শশী থারুর বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে বাধ্য না করে ভারত ‘সঠিক মানবিক চেতনায়’ কাজ করেছে। কেননা, হাসিনা ভারতের দীর্ঘদিনের বন্ধু।

advertisement

শশী থারুর বলেন, শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে ভারত সঠিক মানবিক চেতনা অনুসরণ করে কাজ করেছে। কারণ বহু বছর ধরে যিনি ভারতের একজন ভালো বন্ধু, তাকে জোর করে ফেরত পাঠাতে পারে না ভারত।

তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রত্যর্পণ সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে জটিল আইনি বিধান, চুক্তি সম্পৃক্ত, যা শুধু গুটিকয়েক মানুষই পুরোপুরি বুঝতে পেরেছেন।

advertisement

কংগ্রেসের এই নেতা বলেন, ‘আমি যথাযথ বিবেচনা করার বিষয়টি সরকারের ওপর ছেড়ে দেব। কিন্তু এরই মধ্যে যখন আমরা একজন ভালো বন্ধুর প্রতি আতিথেয়তা প্রদর্শন করছি, তখন আমার মনে হয় আমাদের তাকে নিরাপদে থাকতে দেওয়া উচিত যতক্ষণ না সরকার এসব বিষয় বিশদভাবে অধ্যয়ন করে।’

  • সর্বশেষ