শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০১:২১ দুপুর
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশি অভিবাসী ১০ শতাংশ বাড়লে আসাম বাংলাদেশের অংশ হয়ে যাবে: হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

খবর এনডিটিভি: মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা দাবি করেছেন, রাজ্যটিতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা যদি আর ১০ শতাংশ বাড়ে, তাহলে আসাম ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে’। মঙ্গলবার একটি সরকারি অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, গত পাঁচ বছর ধরেই তিনি এই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক করে আসছেন।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা বাড়তে থাকলে রাজ্যটির ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তার দাবি, জনসংখ্যার এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আসাম একসময় স্বয়ংক্রিয়ভাবেই বাংলাদেশের অংশ হয়ে যেতে পারে। তার এই দাবি নতুন করে সীমান্ত ও অভিবাসন বিতর্ক উসকে দিয়েছে। 

advertisement

বাংলাদেশের এক নেতার উত্তর-পূর্ব ভারতকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করার মন্তব্য প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, ‘আসামে বর্তমানে জনসংখ্যার ৪০ শতাংশই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। যদি এই সংখ্যা আরও ১০ শতাংশ বাড়ে, তাহলে আমরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে (বাংলাদেশের সঙ্গে) অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাব’। তিনি আরও বলেন, ‘এই কারণেই আমি গত পাঁচ বছর ধরে বিষয়টি নিয়ে জোরালোভাবে কথা বলে যাচ্ছি।’

এনডিটিভির দাবি, চলতি মাসের শুরুতে বাংলাদেশের ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর একটি মন্তব্য নিয়ে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। সেখানে তিনি বলেন, নয়াদিল্লি যদি বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করে, তাহলে ঢাকার উচিত ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে ‘বিচ্ছিন্ন’ করে রাখা এবং ওই অঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তিগুলোকে সহায়তা দেয়া।

advertisement

হাসনাত আবদুল্লাহ দাবি করেন, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ভৌগোলিকভাবে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’, কারণ অঞ্চলটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডরের ওপর নির্ভরশীল, যা ‘চিকেনস নেক’ নামেও পরিচিত।

ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোকে বিচ্ছিন্ন করার বিষয়ে সাম্প্রতিক সেই বক্তব্য ঘিরে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা। তিনি বলেন, এ ধরনের হুমকি ভারত সহ্য করবে না। তার দাবি, বাংলাদেশের নেতারা যদি ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল বিচ্ছিন্ন করার হুমকি দিতে থাকেন, তাহলে দিল্লি আর বেশি দিন চুপ থাকবে না।

advertisement

হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সেসময় বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে বারবার বলা হচ্ছে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে আলাদা করে সেই দেশের সঙ্গে যুক্ত করা উচিত। বাংলাদেশ এমনটা কল্পনাও করতে পারে না— এটা সম্পূর্ণ ভুল’।

ভারত একটি বড় দেশ, পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র এবং বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি— এ কথা উল্লেখ করে আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে ভুল মানসিকতা তৈরি হয়েছে। তার মন্তব্য, ‘আমাদের স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয়া দরকার যে ভারতের বিরুদ্ধে এমন আচরণ হলে আমরা চুপ করে থাকব না।’

 

  • সর্বশেষ