শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ১৯ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০৫ দুপুর
আপডেট : ১১ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইসরায়েলের কাছ থেকে প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকার উন্নত অস্ত্র কিনছে সংযুক্ত আরব আমিরাত

মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাবশালী মুসলিম রাষ্ট্র সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে গোপনে একটি বড় অস্ত্র কেনার চুক্তি করেছে। চুক্তির আর্থিক মূল্য ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা।

ফরাসি সংবাদমাধ্যম ইন্টেলিজেন্স অনলাইন প্রথম এই গোপন চুক্তির তথ্য প্রকাশ করে। পরে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ আরব তাদের প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরে।

advertisement

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েলের অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমের সঙ্গে অত্যন্ত গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। গত মাসে এলবিট সিস্টেম ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় চুক্তির কথা জানালেও তখন দেশটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

জানা গেছে, আমিরাত এলবিট সিস্টেমের উন্নত সংস্করণের ‘জে-মিউজিক এয়ারক্রাফট প্রোটেকশন সিস্টেম’ কিনছে। এই প্রযুক্তি লেজারভিত্তিক এবং বিমান লক্ষ্য করে ছোড়া সারফেস-টু-এয়ার মিসাইলের সেন্সর অকার্যকর করতে সক্ষম।

advertisement

ইসরায়েলি সরকারের অনুমোদনে এই প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংযুক্ত আরব আমিরাতেই উৎপাদন করা হবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

চুক্তিটির মেয়াদ আট বছর এবং এটিকে ইসরায়েলের ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র রপ্তানি চুক্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সংবেদনশীলতার কারণে চুক্তির বেশিরভাগ তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি।

advertisement

এদিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও অক্সফামের মতো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই চুক্তির কঠোর সমালোচনা করেছে। তাদের আশঙ্কা, এ ধরনের অস্ত্র চুক্তি বেসামরিক মানুষের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘনের সম্ভাবনাও তৈরি করতে পারে।

সূত্র: জনকণ্ঠ

  • সর্বশেষ