শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:৩৯ রাত
আপডেট : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভারতীয় রুপি যেভাবে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হলো

ভারতীয় রুপি রেকর্ড দরপতনের মধ্য দিয়ে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রায় পরিণত হয়েছে। চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপি অবমূল্যায়িত হয়েছে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ২০২২ সালের পর সবচেয়ে বড় বার্ষিক পতনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রুপির এ ধসই এটিকে এশিয়ার সবচেয়ে দুর্বল মুদ্রার অবস্থানে ঠেলে দিয়েছে।

রয়টার্স জানায়, সাম্প্রতিক দরপতনে সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা ৫০ শতাংশ শুল্ক থেকে। অনেকেই মনে করছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য চুক্তি হলে রুপির পতন থামানোর সুযোগ থাকত, কিন্তু সেই চুক্তি এখনো ঝুলে আছে।

advertisement

সংকটের আরেকটি বড় সূত্র মিলছে ভারতের শেয়ারবাজারে। ১৯৯৩ সালের পর এবারই প্রথম ভারতীয় স্টক মার্কেট বিশ্বের অন্যান্য বড় বাজারের তুলনায় সবচেয়ে পিছিয়ে পড়েছে। এমএসসিআই ইন্ডিয়া সূচকের ডলারভিত্তিক রিটার্ন ছিল মাত্র ২ দশমিক ৫ শতাংশ, যেখানে বৃহত্তর উদীয়মান বাজার সূচকে রিটার্ন দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৭ শতাংশ। এ ব্যবধান বিদেশি পোর্টফোলিও বিনিয়োগকারীদের আস্থায় বড় ধাক্কা দেয়। তারা এ বছর ভারত থেকে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার তুলে নিয়ে ভালো পারফর্ম করা বাজারে বিনিয়োগ করছে।

রুপি দুর্বল হওয়ায় রপ্তানি খাত কিছুটা স্বস্তি পেলেও সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির ওপর চাপ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভারী শুল্কের কারণে রপ্তানিকারকরা আগে ক্ষতির মুখে পড়লেও মুদ্রার দরপতনে তারা সামান্য সুবিধা পাচ্ছে।

advertisement

প্রযুক্তি খাতের শেয়ার দীর্ঘদিন ধরে সীমিত পরিসরে ছিল। সাম্প্রতিক সপ্তাহে কিছুটা উন্নতি দেখা গেলেও সার্বিক পরিস্থিতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন নেই। এর ওপর চলতি হিসাবের ঘাটতি কমলেও পণ্য বাণিজ্যের ঘাটতি অক্টোবর মাসে রেকর্ড ৪১ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। রুপি আরও দুর্বল হলে জ্বালানি আমদানির ব্যয় বাড়বে, সঙ্গে বিদেশি ঋণের খরচও বাড়বে। এর প্রভাব পড়বে বিমান, ইলেকট্রনিকস, অটোমোবাইলসহ বিভিন্ন খাতের উৎপাদন ব্যয়ে। বিদেশ ভ্রমণ ও পড়াশোনার খরচও দ্রুত বাড়ছে।

ভারতের প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ভি অনন্ত নাগেশ্বরন বলেন, রুপির দুর্বলতা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন। তাঁর দাবি, মুদ্রার অবমূল্যায়ন মুদ্রাস্ফীতিতে তেমন প্রভাব ফেলছে না এবং ২০২৬ সালে রুপি পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে।

advertisement

এইচএসবিসির এশিয়া এফএক্স প্রধান জোয়ি চিউ বলেন, প্রতিদিন বাণিজ্য চুক্তি না হওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতি ও বিদেশি মুদ্রার বহির্মুখী প্রবাহ ডলার-রুপি বিনিময় হার আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে, অথচ বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহ কমছে। সোর্স: রয়টার্স

 

  • সর্বশেষ