শিরোনাম
◈ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে হাসিনাকন্যা পুতুলের পদত্যাগ: রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ শনিবার থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ছে বেকারি পণ্যের দাম ◈ গ্যাসের চাহিদা মেটাতে ১৮ কার্গো এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত ◈ মেট্রোরেলের ২৭ বেয়ারিং প্যাডে ক্রিটিক্যাল ত্রুটি, ৪৬ পিলারে ফাটল ◈ ব্যাংক রেজল্যুশন (সংশোধন) বিল পাস: রুমিন ফারহানার বক্তব্য ঘিরে সংসদে হট্টগোল ◈ একবার তথ্য দিলেই সরকারি সেবায় বারবার জমা দিতে হবে না, ‘ওয়ান্স-অনলি’ নীতি চালুর উদ্যোগ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে গ্রিন কার্ডে নতুন অনিশ্চয়তা, ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে ভিসা নম্বর শেষ হওয়ার শঙ্কা ◈ এবার শেখ হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ◈ মাঠে সারের হাহাকার, ডিলারশিপে লাখ টাকার বাণিজ্য; কৃষকদের ‘খাদ্যযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি সংসদে ◈ সংসদে উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে তর্ক-বিতর্ক, বিচার বিভাগ নিয়েও উদ্বেগ

প্রকাশিত : ০৪ নভেম্বর, ২০২৫, ০২:১৯ দুপুর
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আন্তর্জাতিক সালিশে যাচ্ছে বাংলাদেশ ও আদানি গ্রুপ

বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ ও ব্যয় হিসাব নিয়ে তৈরি হওয়া বিরোধ মেটাতে বাংলাদেশ ও ভারতের আদানি পাওয়ার আন্তর্জাতিক সালিশ প্রক্রিয়ায় যেতে সম্মত হয়েছে।

ভারতের ধনকুবের গৌতম আদানির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সালের চুক্তি অনুযায়ী পূর্ব ভারতের গড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র (ক্ষমতা ১,৬০০ মেগাওয়াট) থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ।

আদানি পাওয়ারের মুখপাত্র সোমবার (৩ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে জানান, কিছু ব্যয় ও বিলিং নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। উভয় পক্ষ সালিশ আহ্বানে সম্মত হয়েছে। আমরা দ্রুত ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক সমাধানে আশাবাদী।

তবে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান রয়টার্স-কে বলেন, আলোচনা প্রক্রিয়া এখনো চলছে, প্রয়োজনে সালিশে যাওয়া হবে।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার অভিযোগ করেছিল যে, ভারত সরকারের কর সুবিধা গড্ডা প্লান্ট বিদ্যুৎ মূল্যে প্রতিফলিত করেনি, যা চুক্তি লঙ্ঘনের শামিল।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ আদানির কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ১৪.৮৭ টাকায় বিদ্যুৎ কিনেছে, যা ভারতের অন্যান্য কোম্পানির গড় দামের (৯.৫৭ টাকা) তুলনায় অনেক বেশি।

গত সপ্তাহে আদানি পাওয়ার জানায়, বাংলাদেশের কাছে তাদের বকেয়া বিল এখন ১৫ দিনের সমপরিমাণে নেমে এসেছে, যেখানে মে মাসে তা ছিল প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার।

কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, তারা বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ এবং বাংলাদেশকে নিরবচ্ছিন্ন ও প্রতিযোগিতামূলক দামে বিদ্যুৎ সরবরাহ অব্যাহত রাখবে। উৎস: কালবেলা।

 

  • সর্বশেষ