শিরোনাম
◈ ওয়াশিংটন–তেহরান ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ ব্যাংকিং খাতে ফিরছে সুদিন! ◈ ভারতে পাচার ৬ বাংলাদেশি নারীকে ট্রাভেল পারমিটে ফেরত ◈ বাবা ‘মুক্তিযুদ্ধে শহীদ’, জন্ম ১৯৮১ সালে বলে ভাইরাল সেই জামায়াত এমপির বাবা এখনও জীবিত! ◈ ট্রাম্প-নেতানিয়াহুকে টার্গেট স্নাইপার-ড্রোন করে হামলার পরিকল্পনা, এফবিআইয়ের অভিযানে আটক ৫ ◈ বাংলাদেশি টাকার মান বেড়েছে ভারতীয় রুপির বিপরীতে ◈ সকালে সিলেটে প্রধানমন্ত্রীর বকুনি খেয়ে বিকেলে সংসদে হাজির হলেন এমপি ◈ ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৌশলগত বড় পরিবর্তন: ইন্দো-প্যাসিফিক নাম বাদ, নতুন করে ‘ইউএস প্যাসিফিক কমান্ড’ চালু করল পেন্টাগন ◈ হামের টিকাদানে গাফিলতির প্রমাণ মিললে ব্যবস্থা, হজের খরচ কমানো ও তিস্তায় নতুন ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৯:১৮ সকাল
আপডেট : ১৫ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সৌরশক্তি আর কাদামাটির সমন্বয়ে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘নেট-জিরো এনার্জি’ মসজিদ

টাইমস অফ ইন্ডিয়া: আবুধাবিতে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের প্রথম 'নেট-জিরো এনার্জি' মসজিদ। হাজার বছরের পুরনো কাদামাটি দিয়ে দেয়াল গাঁথার কৌশল, আর অন্যদিকে রয়েছে  অত্যাধুনিক সৌর প্রযুক্তির মিশেলে আবুধাবির মাসদার সিটিতে তৈরি হচ্ছে এই মসজিদ।  যা তার নিজস্ব শক্তি উৎপাদন করবে এবং কার্বন নিঃসরণ করবে না। ফলে পরিবেশের ওপর এর কোনো কু-প্রভাব পড়বে না। এই মসজিদ নির্মাণে অভিনব   পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে স্বাভাবিকের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ কম শক্তি এবং অর্ধেকেরও বেশি পানি  খরচ হয় । মসজিদ নির্মাণের অন্যতম চ্যালেঞ্জ ছিল কিবলা প্রাচীরকে মক্কার দিকে রাখার পাশাপাশি সূর্যের তাপ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করা। প্রকৌশলীরা বিশেষ ধরনের ছাউনি, কোণাকুণি জানালা, ছাদে আলোর ব্যবস্থা এবং দেয়ালে তাপ নিরোধক আস্তরণ ব্যবহার করেছেন। বাইরের অংশে শীতল উপকরণ ব্যবহার করা হয়েছে। 

এর নকশা করেছে বিশ্বখ্যাত বৃটিশ সংস্থা অরুপ । মসজিদটি তার প্রয়োজনীয় ১০০% শক্তিই সৌর প্যানেলের মাধ্যমে উৎপাদন করবে। এই মসজিদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর বিশাল মাটির প্রাচীর। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সবচেয়ে পুরনো আল বিদিয়াহ মসজিদের থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে এটি তৈরি। প্রায় পনেরো শতকের ওই মসজিদটিও মাটি দিয়েই গড়া হয়েছিল। এই নতুন মসজিদেও স্থানীয় খনি থেকে মাটি এনে ৬০ মিটার চওড়া আর ৭ মিটার উঁচু এক বিশাল কিবলা প্রাচীর তৈরি করা হয়েছে। এর মূল কাজ হলো গনগনে সূর্যের তাপকে মসজিদের ভেতরে ঢুকতে না দেওয়া। মাসদার সিটির একজন কর্মকর্তা আমনা আল জাবি বলেন, "এত বড় আকারের মাটির কাঠামো সংযুক্ত আরব আমিরাতে আগে কখনো তৈরি হয়নি।" 

মসজিদে একসঙ্গে প্রায় ১,৩০০ মানুষ নামাজ আদায় করতে পারবেন। ভেতরে বসানো স্মার্ট সেন্সরগুলো তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং উপস্থিতি নিরীক্ষণ করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পাখা বা এসি চালু করবে, ফলে শক্তি অপচয় রোধ হবে। আল জাবি আশা করছেন, এটি ভবিষ্যতের মসজিদ ও সামাজিক ভবন নির্মাণের  জন্য একটি মডেল হবে। আবুধাবির খলিফা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক খালেদ আলাওয়াদি বলেন, পরিবেশবান্ধব মসজিদ নির্মাণ ভালো উদ্যোগ, তবে আরও জরুরি হলো বসবাসের বাড়ি ও অন্যান্য ভবনও পরিবেশবান্ধব করা। তিনি আরও বলেন, মসজিদে প্রাকৃতিক আলো এবং শীতকালে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করা গেলে তা পরিবেশ রক্ষায়  আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

অনুবাদ: মানবজমিন

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়