শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:২০ রাত
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এবার জাতিসংঘ সদর দপ্তর বোমা মেরে গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, নেপথ্যে কী? (ভিডিও)

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান ডুজারিক জানান, ফক্স নিউজের উপস্থাপক জেসি ওয়াটার্সের মন্তব্যে তাঁরা ‘বিস্মিত’। তিনি বলেন, ‘টেকনিক্যাল কারণে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এস্কেলেটর ও টেলিপ্রম্পটারে সমস্যা হয়েছিল। এ জন্য জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বোমা হামলার হুমকি হতাশাজনক।’

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে বোমা মারার হুমকি দিয়েছেন ফক্স নিউজের উপস্থাপক জেসি ওয়াটার্স। তবে পরবর্তী সময় এই মন্তব্যের জন্য ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন ওয়াটার্স।

advertisement

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন জেসি ওয়াটার্স। তাঁর এই মন্তব্যের পরেই ফক্স নিউজকে বিষয়টি অবহিত করে জাতিসংঘ। এরপর জাতিসংঘের বৈশ্বিক যোগাযোগপ্রধান মেলিসা ফ্লেমিংয়ের সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ করে ক্ষমা চান জেসি ওয়াটার্স। তবে ফক্স নিউজ এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান ডুজারিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘বোমা মারা, গ্যাস ব্যবহার করা বা এই ভবন ধ্বংস করার কথা বলা কোনোভাবেই মজার বিষয় নয়। এই ধরনের ভাষা অগ্রহণযোগ্য।’

advertisement

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পর ট্রাম্প চলন্ত সিঁড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়া ও টেলিপ্রম্পটার কাজ না করায় অভিযোগ করেছিলেন। এতে ক্ষুব্ধ হন উপস্থাপক জেসি ওয়াটার্স। ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে তিনি এই প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ‘আমাদের হয় জাতিসংঘ ছেড়ে দেওয়া উচিত অথবা এখানে বোমা মারা উচিত। অথবা গ্যাস ব্যবহার করা উচিত... এটিকে ধ্বংস করা দরকার।’

তবে লিফট বন্ধ হয়ে যাওয়া ও টেলিপ্রম্পটার কাজ না করার ব্যাখ্যা দিয়ে জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান ডুজারিক একটি বিবৃতি দেন। এতে তিনি বলেন, এস্কেলেটরের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের তথ্য থেকে দেখা যায়, এস্কেলেটরের ওপরের দিকে ‘কম্ব স্টেপ’-এর একটি নিরাপত্তাব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার পর এটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তিনি আরও বলেন, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে প্রেসিডেন্টের আগমন যাতে ভালোভাবে ক্যামেরাবন্দী করা যায় সে উদ্দেশ্যে ট্রাম্পের ভিডিওগ্রাফার পেছনের দিকে হেঁটে এস্কেলেটরে উঠছিলেন। এতেই বিপত্তিটি ঘটে।

advertisement

ডুজারিক বলেন, ভিডিওগ্রাফার অনিচ্ছাকৃতভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থাটি সক্রিয় করে থাকতে পারেন। এই নিরাপত্তাব্যবস্থাটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে মানুষ বা অন্য কোনো বস্তু অসাবধানতাবশত গিয়ারে আটকে না যায় বা গিয়ার তাঁকে টেনে নিয়ে না যায়।

জাতিসংঘের একজন কর্মকর্তা জানান, হোয়াইট হাউস নিজস্ব টেলিপ্রম্পটার ব্যবহার করছিল। ট্রাম্পের বক্তব্য শেষ হওয়ার পর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রেসিডেন্ট আন্নালেয়ানা বেয়ারবক বলেন, জাতিসংঘের টেলিপ্রম্পটারগুলো ঠিকঠাক কাজ করছে।

  • সর্বশেষ