শিরোনাম
◈ দেশে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ◈ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ৩ উপজেলা সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশিদের নতুন সতর্কবার্তা দিল মার্কিন দূতাবাস ◈ ‘অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে’ ◈ সম্পত্তি দান করলেও জীবদ্দশায় ভোগদখলের অধিকার থাকবে, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার মেগাওয়াট, তবু লোডশেডিংয়ে নাকাল দেশ ◈ দক্ষিণ ইরানে মার্কিন বাহিনীর ৯০০ কেজি ওজনের শক্তিশালী বোমা হামলা: নিউইয়র্ক টাইমস ◈ জ্বালানি সংকটে ডিবিএল গ্রুপের সব পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা ◈ চলতি আগস্ট মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১২ দিনের ছুটি! ◈ গুম প্রতিরোধ আইন অনুমোদন, মৃত্যুর ঘটনায় শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন

প্রকাশিত : ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৫:৩৩ বিকাল
আপডেট : ১৯ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজনীতি থেকে নেপালে ৬ সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে অবসরে পাঠানোর উদ্যোগ

নেপালে চলমান রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নতুন এক প্রস্তাব সামনে এসেছে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর দ্বিতীয় সারির নেতৃত্ব চাইছেন, দীর্ঘদিন ধরে নেপালি রাজনীতিকে প্রভাবিত করা ছয় সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নিতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলির পদত্যাগের পর নেপালজুড়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। দুর্নীতি ও অদক্ষতার বিরুদ্ধে জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলনের চাপেই তার এই পদত্যাগ। প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল এখন দলগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করে যাচ্ছেন। সেনাবাহিনী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনার সমন্বয় করছে।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবি হলো একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন। এ ক্ষেত্রে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কিকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান করার বিষয়ে আন্দোলনকারী ও রাজনৈতিক মহলে এক ধরনের ঐকমত্য গড়ে উঠছে।

বিভিন্ন দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নেপালি কংগ্রেস, সিপিএন-ইউএমএল, মাওবাদী কেন্দ্র ও ইউনিফায়েড সোশ্যালিস্ট; চার দলের দ্বিতীয় সারির নেতৃত্ব চাইছেন ওলি, শেরবাহাদুর দেবুয়া, পুষ্পকমল দাহাল প্রচণ্ড, মাধবকুমার নেপাল, ঝলানাথ খানাল ও ড. বাবুরাম ভট্টরায়কে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিতে। এর মধ্য দিয়ে নতুন নেতৃত্বের পথ উন্মুক্ত হবে বলে তারা মনে করছেন।

এক বামপন্থি দলের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, আমরা চাই ছয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে বিবৃতি দিয়ে সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নিন। দেশকে এগিয়ে নিতে নতুন নেতৃত্বের সুযোগ দিতে হবে।

ইউনিফায়েড সোশ্যালিস্টের ঝলানাথ খানাল প্রস্তাবের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন। একইভাবে ড. বাবুরাম ভট্টরায়ও কিছু ভালো প্রস্তাব দিয়েছেন এবং সরে দাঁড়াতে রাজি আছেন বলে দলের ভেতরে আলোচনা চলছে।

নেপালি কংগ্রেসের মধ্যেও এ বিষয়ে প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। এক নেতা বলেন, আমরা প্রস্তাবটিকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছি। যদি অন্য দলের নেতারা একসঙ্গে এগোন, তবে প্রেসিডেন্ট দেবুয়ার কাছে আমরা বিষয়টি তুলব।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, যদি ওলি, প্রচণ্ড ও মাধব নেপালও প্রস্তাবে রাজি হন, তবে দ্বিতীয় সারির নেতাদের পরিকল্পনা সফল হতে পারে। এতে নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা ঘটবে নেপালে। সূত্র: খবর হাব

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়