শিরোনাম
◈ বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দেশজুড়ে, ১০টি পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ  আবহাওয়া অধিদপ্তরের  ◈ বাতিল হচ্ছে দেড়শ বছরের আইন: জুয়ার শাস্তি বাড়ছে ২ হাজার গুণ ◈ সৌদি আরবে ‘হুরুব’ আতঙ্কে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ◈ চীন নারী ফুটবল দল পাঠাতে চায় বাংলা‌দে‌শে, পুরুষ ক্রিকেট দল‌কে চী‌নে আমন্ত্রণ ◈ জাপা‌নি ক্লা‌বের কা‌ছে হে‌রে  এএফ‌সি চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে রোনাল‌দোর আল নাস‌রের বিদায় ◈ ছাত্রীদের সঙ্গে প্রতারণামূলক প্রেম ও ধর্ষণের অভিযোগে চীনা অধ্যাপক বরখাস্ত ◈ ভারতীয় যুদ্ধবিমান তাড়ানোর দাবি পাকিস্তানের, সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা ◈ অনুমোদন ছাড়া হজ পালনে কড়া শাস্তি: সৌদিতে ২০ হাজার রিয়াল জরিমানা ও ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা ◈ বিডিআর বিদ্রোহ নিয়ে তানিয়া আমিরের বক্তব্য বিভ্রান্তিকর ◈ শেহবাজ-জয়শঙ্করকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোন, যে কথা হলো..

প্রকাশিত : ০৪ মার্চ, ২০২৫, ১১:৩৪ রাত
আপডেট : ২৩ এপ্রিল, ২০২৫, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গুণমান যাচাই পরীক্ষায় ফেল ভারতের ১৪৫ ওষুধ

গুণমান যাচাইয়ের পরীক্ষায় ফেল করল ভারতের বিভিন্ন কম্পানির ১৪৫টি ওষুধ। সে তালিকায় রয়েছে হৃদরোগের ওষুধ থেকে রক্তচাপ কমানোর ওষুধ, এমনকি জ্বর-সর্দি সারানোর প্যারাসিটামলও। ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গুণমান যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হতে না পারা ওষুধগুলোর মধ্যে ৫২টি ওষুধ কেন্দ্রীয় ড্রাগ কন্ট্রোল ল্যাবরেটরির পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছে।

আর বিভিন্ন রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলের পরীক্ষায় ফেল করেছে দেশটিতে বহুল ব্যবহৃত ৯৩টি ওষুধ। কলকাতার সেন্ট্রাল ড্রাগে ল্যাবরেটরিতেও বেশ কয়েকটি ওষুধের গুণমান যাচাই করা হয়েছে।

এর আগে জানুয়ারি মাসে গোটা দেশ থেকে বিভিন্ন ওষুধের নমুনা সংগ্রহ করে সেগুলোর গুণমান যাচাই করে ভারতের সেন্ট্রাল ড্রাগস স্ট্যান্ডার্ড কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন। প্রত্যেক রাজ্যের ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবেও ওষুধের গুণমান যাচাইয়ের পরীক্ষা হয়।

জানুয়ারি মাসে এই ১৪৫টি ওষুধকে ‘নট অব স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি’ বা ‘সঠিক গুণমানের নয়’ বলে চিহ্নিত করা হয় কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে।

এই ১৪৫টি ওষুধের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি ১৬টি ব্যাচের রিঙ্গার্স ল্যাকটেট ও অন্যান্য স্যালাইন। বাকি ওষুধগুলো তৈরি হয় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে। নামি কম্পানির তৈরি বেশ কয়েকটি ওষুধও আছে এই তালিকায়।

গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, সম্প্রতি মেদিনীপুরের মেডিক্যাল কলেজে ছয়জন প্রসূতিকে পশ্চিমবঙ্গ ফার্মাসিউটিক্যালসের তৈরি একটি বিশেষ ব্যাচ (২৩৯৬) নম্বরের স্যালাইন দেওয়ার পর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তাদের মধ্যে একজনের পরে মৃত্যুও হয়। এর পরই জানা যায়, স্যালাইনের গুণমান বজায় রাখা ও জীবাণুমুক্ত করার যে প্রক্রিয়া, তাতে ওই নির্দিষ্ট ব্যাচের স্যালাইনটি পার হয়নি। সে কথা জানিয়েছিল ওই রাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা সেন্ট্রাল ড্রাগ কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন। তারা ওই কম্পানির ওই ব্যাচের স্যালাইন তৈরির কাজ স্থগিত রাখতেও বলে।

কিন্তু তার পরও সেই স্যালাইন এসে পৌঁছয় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়