শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৩ এপ্রিল, ২০২৪, ০৫:৪৩ বিকাল
আপডেট : ০৪ এপ্রিল, ২০২৪, ০২:৫৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সারাহ’র মরণোত্তর কিডনি নেওয়া শামীমাও মারা গেলেন

ডানে সারাহ ইসলাম ও বামে শামীমা আক্তার

শাহীন খন্দকার: [২] বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যাল (বিএসএমএমইউ) আইসিইউতে মারা গেলেন সারাহ ইসলামের মরণোত্তর কিডনি নেওয়া শামীমা আক্তার। ব্রেন ডেড (মরণোত্তর) সারাহ ইসলামের কিডনি নেওয়া দুই নারী-ই এক এক করে মারা গেলেন।

[৩] মঙ্গলবার রাতে বিএসএমএমইউ’র আইসিইউতে শামীমার মৃত্যু  হয়। তার গ্রামের বাড়ি রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়।শামীমার মৃত্যু নিশ্চিত করেছেন, বিএসএমএমইউয়ের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান দুলাল।

[৪] অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান দুলাল বলেন, শামীমা শেষ ছয় মাস আমাদের আওতার বাইরে ছিলেন। কিছুদিন আগে তার ভাই আমাদের জানান, শামীমার ক্রিয়েটিনিন বেড়েছে। জানার সঙ্গে সঙ্গে তাকে বিএসএমএমইউতে ভর্তি করা হয় তিন সপ্তাহ আগে ।

[৫] তিনি আরও বলেন, প্রথমে কিছুটা উন্নতি হলেও পরে অবস্থার অবনতির দিকে চলে যায় কোনো উপায় না দেখে ৪দিন আগে শামীমাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। এর মধ্যে তার সি ভাইরাস ও বিরল নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। আমরা তার ডায়ালাইসিসও শুরু করেছিলাম। কিন্তু উন্নতি হয়নি, সবশেষ আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাত ৯ টায় তার মৃত্যু হয়।

[৬] উল্লেখ্য ২০২৩ সালের ১৯ জানুয়ারি সারাহ ইসলাম নামে ২০ বছর বয়সী এক তরুণীর ব্রেন ডেড ঘোষণা করেন বিএসএমএমইউ চিকিৎসকরা। ওই রাতেই তার কিডনি শামীমা আক্তার এবং হাসিনা নামে দুই নারীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

[৭] দেশে প্রথম ক্যাডাভেরিক কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সফল দাবি করা হলেও এর ৯ মাস পরেই গত বছর অক্টোবরে হাসিনা মারা গেলেও শামীমা আক্তার বেঁচে ছিলেন। চলতি বছর ২ এপ্রিল রাতে তিনিও মারা গেলেন।

[৮] অধ্যাপক ডা. হাবিবুর রহমান বলেন, প্রথমজন মারা গেছেন, ফুসফুসের সংক্রমণে। দ্বিতীয়জনও মারা গেলেন। তিনি বলেন, যা আমাদের জন্য খুবই কষ্টের।সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়