মনজুর এ আজিজ : কৃষি সমাজের উন্নয়নে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনকে একটি উন্নয়নের মডেল হিসেবে তৈরি করার আগ্রহ ব্যাক্ত করেছেন, সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। তিনি বলেন, সর্বস্তরের কৃষিবিদ এবং সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের সমন্বয়ে এ প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন যাত্রায় পাশে থেকে ম্যানেজমেন্টকে এগিয়ে নিতে হবে।
শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ বোর্ডরুমে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ এর ব্যবস্থাপনা, সংস্কার এবং পরিচালনায় অর্জিত সাফল্য’ শীর্ষক ‘সংবাদ সম্মেলনে’ প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের প্রশাসক লে. কর্ণেল (অব.) মো. আব্দুর রব খান, পিএসসি, কেআইবির আয়বায়ক সাবেক সভাপতি কৃষিবিদ ইব্রাহীম খলিল, সমাজসেব অধিদপ্তরের সদস্য সহকারী পরিচালক মো. ফিরাদুল হক, কেআইবি’র সাবেক মহাসচিব কৃষিবিদ আনোয়ারুন নবী মজুমদার বাবলা, এগ্রিকালচার ফোরামের সদস্য প্রফেসর ড. এটিএস মাহবুব-ই- এলাহী, কৃষিবিদ ড. মো. কামরুজ্জামান কায়সার, কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন বিপ্লব, কৃষিবিদ শেখ মুহাম্মদ মাসউদ, কৃষিবিদ গোলাম মর্তুজা সেলিম, কৃষিবিদ মো. তৌহিদ আহমেদ আশিক প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ৫ ই আগস্ট পরবর্তী সময়ে তদারকির অভাবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রভাবমুক্ত করে কেআইবিকে একটি দক্ষ ও প্রতিনিধিত্বশীল পেশাজীবী সংগঠন হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দক্ষ প্রশাসক নিয়োগ করা হয়। অতঃপর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ মহোদয়ের আন্তরিক দিকনির্দেশনায় ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়। এই ধারাবাহিকতায় গত ৪ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে সকল স্টেকহোল্ডারের অংশগ্রহণে একটি ‘অন্তর্বর্তীকালীন উপদেষ্টা কমিটি’ গঠন করা হয়েছে যা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে নতুন গতির সঞ্চার করেছে।
তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি বর্তমানে যে অংশগ্রহণমূলক ‘মডেল’ অনুসরণ করা হচ্ছে, তা অব্যাহত থাকলে কেআইবি ভবিষ্যতে সকল কৃষিবিদের প্রত্যাশা পূরণে সক্ষম হবে। এই মডেলটি ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের সংকটে রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে এবং বাংলাদেশের অন্যান্য পেশাজীবী সংগঠনের জন্য এটি ‘দৃষ্টান্ত’ হয়ে থাকবে।