শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্য সংকটে কমেছে এলপিজি আমদানি, ১ হাজার ৫৮৫ টাকার সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজারে ◈ মিডিয়াকে টার্গেট করে এই আইন করতে চাইনি, কোনো সাংবাদিক এর শিকার হোক, সেটাও চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী ◈ আমার ৪০ বছরের ওকালতির ক্যারিয়ার, আপনি সাক্ষী কে দিয়ে জোর করে নাম বলাচ্ছেন: কাঠগড়া থেকে ক্ষোভ প্রকাশ কামরুল ইসলামের ◈ ধর্ষণ মামলার আসামির বিচার না চেয়ে তাঁকে স্বামী হিসেবে পেতে চান নারী, বিয়ে না দিলে আদালতে আত্মহত্যার হুমকি ◈ ‘অনুপ্রবেশকারী’ ঠেকাতে নিজ নাগরিকদেরই আটকে রাখছে ভারত, সীমান্তের বাফার জোনে দুর্ভোগ ◈ প্রিজনভ্যান থেকে ‘পিচ্চি রাজার’ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় পাঁচ পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ◈ যে কারণে থাই বিমানবন্দরে দুই দিন ধরে আটকা বাংলাদেশ টেবিল টেনিস দল ◈ পাকিস্তান আকাশপথের অনুমতি না দেওয়ায় রূপপুরের পারমাণবিক জ্বালানি পরিবহন ব্যাহত ◈ দিল্লিতে সড়ক পরিদর্শনে গিয়ে ভিডিও করায় তরুণকে মন্ত্রীর চড়, পাল্টা হাত তুললেন তরুণও (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:৫৭ দুপুর
আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:৫৭ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

চলচ্চিত্রে অনুদান নীতিতে পরিবর্তনের দাবি: কম প্রকল্পে মানসম্মত বিনিয়োগ ও সিনেমা হল নির্মাণের প্রস্তাব

মনিরুল ইসলাম : দেশের চলচ্চিত্র খাতে সরকারি অনুদান ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গুণী পরিচালক সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ড। একজন চলচ্চিত্রকার। তিনি আজ সোমবার তার এফবিতে এক পোষ্টের মাধ্যমে এই দাবি জানান।

তাঁর মতে, প্রতিবছর অস্বাভাবিকভাবে ১৫ থেকে ২০টি বা তারও বেশি চলচ্চিত্রে কোটি কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হলেও তা থেকে দেশ ও জাতির প্রত্যাশিত সুফল মিলছে না।

চলচ্চিত্রকারের প্রস্তাব, বিপুল সংখ্যক ছবিতে অনুদান ছড়িয়ে না দিয়ে বরং বছরে একটি বা দুটি মানসম্মত ও শক্তিশালী গল্পের চলচ্চিত্র নির্বাচন করে তাতে পর্যাপ্ত অর্থায়ন করা উচিত। এতে কম সংখ্যক হলেও গুণগত মানসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণ সম্ভব হবে, যা দেশীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সহায়ক হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, বাকি অর্থ দেশের বিভিন্ন জেলায় আধুনিক সিনেমা হল নির্মাণে ব্যয় করা যেতে পারে। এসব হল সরকার পরিচালনা করলে একদিকে যেমন দর্শকদের জন্য উন্নত পরিবেশ তৈরি হবে, অন্যদিকে প্রযোজক ও নির্মাতারাও নিজেদের অর্থ বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন। কারণ, একটি শক্তিশালী প্রদর্শনব্যবস্থা থাকলে লগ্নিকারীরা লাভসহ পুঁজি ফেরত পাওয়ার বিষয়ে বেশি আশ্বস্ত থাকবেন।

চলচ্চিত্রকারের মতে, এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে চলচ্চিত্র খাত শুধু সংস্কৃতির বাহক হিসেবেই নয়, অর্থনৈতিকভাবেও সরকারের জন্য লাভজনক খাতে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি দেশজুড়ে সিনেমা দেখার সংস্কৃতি পুনরুজ্জীবিত হবে এবং নতুন প্রজন্মকে প্রেক্ষাগৃহমুখী করা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট মহলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

  • সর্বশেষ