মনিরুল ইসলাম : বাংলাদেশ চলচ্চিত্র অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত নাম চিত্রনায়িকা মুক্তি (রুমানা ইসলাম মুক্তি)। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জয়ী হতে না পারলেও এবার সরকারি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যুক্ত হয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মুক্তি জানিয়েছেন, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটিতে তাকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
পোস্টে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লেখেন, তাকে এই কমিটিতে যুক্ত করায় তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটি দেশের চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই কমিটিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং অভিজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১১ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিটি গঠন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।
নতুন কমিটিতে মুক্তির অন্তর্ভুক্তি তার পেশাগত স্বীকৃতির একটি ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
অন্যদিকে, সদ্য অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন মুক্তি। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি জয়ী হতে পারেননি। নির্বাচনে তার পরাজয় নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও নতুন এই সরকারি দায়িত্ব তার ক্যারিয়ারে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনে পরাজয় সত্ত্বেও সরকারি কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রমাণ করে যে শিল্পী হিসেবে মুক্তির প্রতি আস্থার জায়গা এখনও অটুট রয়েছে। একই সঙ্গে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় ভবিষ্যতে চলচ্চিত্র উন্নয়নে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
এদিকে, নির্বাচনী ব্যর্থতার পরপরই অনুদান কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া মুক্তির জন্য একদিকে যেমন নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে, অন্যদিকে চলচ্চিত্র অঙ্গনে তার সক্রিয় উপস্থিতির ইঙ্গিতও দিচ্ছে।