শিরোনাম
◈ টোল কমিয়ে কর্ণফুলী টানেলে যান চলাচল বাড়াতে সরকারের নতুন উদ্যোগ ◈ জামিনে মুক্ত বেনজীর, দেশে ফেরাতে নতুন আইনি চ্যালেঞ্জ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে পারমাণবিক সহযোগিতা পুনরায় শুরু করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র ◈ টাঙ্গুয়ার হাওরে নতুন বিধিনিষেধ, কোন এলাকা পর্যন্ত চলবে পর্যটকবাহী নৌযান? ◈ আগামী সপ্তাহে খুলছে ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ের দুই সার্ভিস লেন ◈ সংবিধানে বড় রদবদলের পথে সরকার, আজ বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক ◈ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম নির্ধারণ পদ্ধতি বাতিলের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ◈ খোলাবাজার থেকে ব্যাংক—সবখানেই বাড়ছে ডলারের দাম ◈ আম-কাঁঠাল থেকে কোটি টাকার সম্ভাবনা: ফুড প্রসেসিংয়ে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র, বাড়ছে উদ্যোক্তা ও রপ্তানির সম্ভাবনা ◈ ব্যানার বিতর্কে বেরোবিতে ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরের দফায় দফায় সংঘর্ষ, তিন ঘণ্টা উত্তপ্ত ক্যাম্পাস (ভিডিও)

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৪৫ রাত
আপডেট : ২৪ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চুম্বন দৃশ্যে বাধ্য হয়ে অভিনয়, ওই সিনেমাই আমার জীবন বদলে দিয়েছিল: ফারহা খান

বলিউডের জনপ্রিয় কোরিওগ্রাফার-পরিচালক তথা প্রযোজক ফারাহ খান সংগীতশিল্পী শানের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানেই কথোপকথনের একপর্যায়ে বলেন— এক অভিনেতার সঙ্গে চুম্বন দৃশ্যে একরকম বাধ্য হয়েই রাজি হতে হয়েছিল তাকে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে নিজের ব্লগে এ কথা জানিয়েছেন ফারাহ খান।

বিভিন্ন তারকার বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দেন এ পরিচালক। এবার গায়ক শানের বাড়িতে গিয়ে আড্ডা দিলেন ফারাহ খান। সেখানে গায়কের সঙ্গে ১৯৯২ সালের সিনেমা ‘যো জিতা ওহি সিকান্দার’ নিয়ে আলোচনা করছিলেন ফারহা। সেই সিনেমায় জুনিয়র নৃত্যশিল্পী হিসেবে ছিলেন ফারহা খান। কিন্তু প্রথমে সহপরিচালক হিসেবে সেই ছবিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

ফারহা খান বলেন, আমি আসলে সহপরিচালক হিসেবে যোগ দিই। তারপর দেখা যায়, নৃত্যশিল্পীর অভাব রয়েছে। তখন আমি কোরিওগ্রাফিতে সাহায্য করতে শুরু করি। যখনই কোনো নৃত্যশিল্পী অনুপস্থিত থাকতেন, সেই জায়গায় আমাকে ঠেলে দেওয়া হতো।

এভাবেই অভিনেতা দীপক তিজোরির সঙ্গে একটি চুম্বন দৃশ্যে সম্মত হতে বাধ্য হন ফারহা খান। এ কোরিওগ্রাফার বলেন, একটা দৃশ্য ছিল সিনেমায়, যেখানে দীপক তিজোরি আমার গালে চুমু খাবেন। আসলে ওই দৃশ্যে যে মেয়েটির থাকার কথা ছিল, তিনি রাজি হননি। তাই আমাকে করতে হয়েছিল ওই দৃশ্যটি।

এই শুনে হেসে ওঠেন শান। পারিশ্রমিক নিয়েও আলোচনা হয় তাদের মধ্যে। শান বলেন, সেই সিনেমার জন্য প্রতিদিন ১৫০ টাকা করে পেতেন। অন্যরা পেতেন ৭৫ টাকা করে। এই শুনে চমকে ওঠেন ফারহা খান। তিনি বলেন, আরে! তুমি পারিশ্রমিক পেয়েছিলে? আমি তো কোনো পারিশ্রমিকই পাইনি। কিন্তু ওই সিনেমাটা আমাকে যা যা দিয়েছে, তা কোনো চেক দিতে পারত না। ওই সিনেমাটা আমার জীবন বদলে দিয়েছিল। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়