শিরোনাম
◈ নৌশাদ মুসার কো‌চিং‌য়ে বাংলা‌দে‌শের সাফ ফুটব‌লে ভার‌তের অনূর্ধ্ব-২৩ দল অংশ নি‌বে ◈ এবার ব্যালন ডি’অরে মেসির পঞ্চম স্থান নিয়ে কটাক্ষ ◈ বছর শেষে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের ◈ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ◈ ‘বিএনপিকে ভোট দিয়া আজকে ভুক্তভোগী’ বলে গ্রেপ্তার হাওয়া নারীর জামিন ◈ জিন্সের প্যান্ট ও অন্তর্বাসে সেলাই করে ১২ কেজি স্বর্ণ পাচার, দুই চীনা যাত্রী আটক ◈ চীনে চাকরির প্রলোভনে ১২ নারীকে নির্যাতন, রাজধানীতে ৫ লাখ ইয়াবা ও বিদেশি মদ উদ্ধার ◈ ভারতে তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত ◈ বাংলাদেশ-জাপানের ৬ সহযোগিতা দলিল স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ◈ অলৌকিক ঝুলন্ত পাথরের রহস্য, আসলে কী ঘটেছিল? (ভিডিও)

প্রকাশিত : ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:৩৫ বিকাল
আপডেট : ৩১ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোজার পরে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে পবিত্র রমজান মাসের পরই উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান ও প্রস্তুতির স্বার্থে রোজার পরেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে চীন সফর পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানান।

পরীক্ষার সময় ও সমন্বয়ের পরিকল্পনার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে পরীক্ষাগুলোকে দেশের আবহাওয়া ও বৈশ্বিক শিক্ষা ক্যালেন্ডারের সঙ্গে সমন্বয় করা। বিশেষ করে বর্ষাকালের ভোগান্তি এড়াতে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে আসা জরুরি। এর সঙ্গে মিল রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা এবং যারা উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যেতে চায়, তাদের সময়সূচিকেও একটি নির্দিষ্ট ও সুশৃঙ্খল জায়গায় নিয়ে আসতে হবে।

মন্ত্রী জানান, সেই দৃষ্টিকোণ থেকে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত মাস হচ্ছে ফেব্রুয়ারি। কিন্তু রোজার কারণে এই সময়ে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

Advertisement

কেন রোজার আগে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হলো না এ প্রসঙ্গে ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, অংশীজনদের অনুরোধে প্রথমে পরীক্ষা এগিয়ে আনার একটি পরিকল্পনা করা হয়েছিল। শিক্ষাবর্ষের হিসাব মিলিয়ে জানুয়ারিতে পরীক্ষা শুরু করলে এক মাসের মধ্যে তা শেষ করা সম্ভব হতো। কারণ আগামী বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হয়ে ১০ মার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। জানুয়ারিতে পরীক্ষা শুরু করলে ফেব্রুয়ারির ৭ তারিখের মধ্যেই তা শেষ হয়ে যেত।

পরীক্ষা বেশি এগিয়ে নিয়ে আসলে শিক্ষার্থীদের সিলেবাস শেষ হলেও তাদের কোর্স রিভিউ বা রিভিশন করার পর্যাপ্ত সুযোগ থাকে না। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের রিভিউ প্রসেসটা ব্যাহত হবে বলে জানান মন্ত্রী।

শিক্ষার্থীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এমন সিদ্ধান্ত জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা তো শিক্ষার্থীদের ক্ষতিগ্রস্ত (হার্ট) করব না। তাদেরকে রিভিউ দেওয়ার ও কোর্সের প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ দিতে হবে। তাই পুনরায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে পরীক্ষা রোজার পরেই অনুষ্ঠিত হবে। যদিও কিছু পক্ষ রোজার আগেই পরীক্ষা চেয়েছিল, কিন্তু শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান ও প্রস্তুতির স্বার্থে রোজার পরেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে।

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের বাড়তি চাপ বা আশঙ্কার কারণ নেই উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা অন্য কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি না ঘটলে পরীক্ষা যথাসময়েই হবে।

শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রায় দেড় বছর আগেই তাদের পরীক্ষার সম্ভাব্য সময় জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল এবং তারা সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই এই মুহূর্তে পরীক্ষা নিয়ে বাড়তি কোনো চাপ নেওয়ার কারণ নেই।

 

  • সর্বশেষ