শিরোনাম
◈ আওয়ামী লীগ সরকার অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমুন্নত রাখতে বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী  ◈ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে বিএনপির বেতনভুক্ত কেউ আছে: ড. হাছান মাহমুদ ◈ গাজীপুরে যুবককে গুলি করে হত্যা ◈ বাংলাদেশকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল যুক্তরাষ্ট্র ◈ সংবাদপত্রকে জনগুরুত্বপূর্ণ শিল্প ঘোষণা ও কর কমানোর দাবি ◈ সচিব পদে পদোন্নতি ও রদবদল ◈ হায়দরাবাদকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে কলকাতা ◈ নেতানিয়াহু ও সিনওয়ারার বিরুদ্ধে আইসিসি’র গ্রেপ্তারি আবেদনে ফ্রান্সের সমর্থন  ◈ বাংলাদেশি পণ্যের জন্য ডিউটি ফ্রি, কোটা ফ্রি সুবিধা অব্যাহত রাখবে অস্ট্রেলিয়া  ◈ বিএনপিসহ টিআইবির অপপ্রচারে ভোটার উপস্থিতি কমেছে: ওবায়দুল কাদের 

প্রকাশিত : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:১৯ বিকাল
আপডেট : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৪, ০৬:১৯ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রেমিট্যান্স প্রবাহ ফেরাতে ব্যাংকে প্রবাসীদের আস্থা বাড়াতে আহ্বান

আমিনুল ইসলাম: [২] অভিবাসন খাতের বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারপারসন ড. তাসনিম সিদ্দিকী বলেছেন, রেমিট্যান্স প্রবাহের স্রোত ফিরিয়ে আনতে ব্যাংকগুলোর প্রতি অভিবাসীদের আস্থা বাড়াতে হবে। কেননা এটি সম্ভব না হলে বিদেশ থেকে টাকা আনার ক্ষেত্রগুলো পুরোপুরি হুন্ডির কাছে চলে যাবে। এতে করে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়বে।

[৩] বুধবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে ‘আন্তর্জাতিক শ্রম অভিবাসনের গতি-প্রকৃতি ২০২৩ অর্জন এবং চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. সেলিম রেজা। এসসয় অন্যান্যের মধ্যে রামরুর পরিচালক ( প্রোগ্রাম) মেরিনা সুলতানা, প্রজেক্ট ম্যানেজার রাবেয়া নাছরীন এবং প্রজেক্ট ম্যানেজার মোহাম্মদ ইনজামুল হক  উপস্থিত ছিলেন ।

[৪] তাসনিম সিদ্দিকী তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ২০২৩ সাল জাতীয় নির্বাচনপূর্ব বছর হওয়ায় অভিবাসনের ক্ষেত্রে এটি ছিল তাৎপর্যপূর্ণ বছর। বিএমইটি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মোট ১৩ লাখ ৫ হাজার ৪৫৩ জন বাংলাদেশি কর্মী কাজের উদ্দেশ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অভিবাসন করেছেন। যা গত বছরের তুলনায় ১৩ শতাংশ বেশি। ২০২২ সালে ১১ লাখ ৩৫ হাজর ৮৭৩ জন বাংলাদেশি কর্মী বিদেশে গিয়েছিলেন। ১৯৭৬ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৪৮ বছরের মধ্যে এ বছর বাংলাদেশ থেকে সর্বোচ্চ অভিবাসন হয়েছে।

[৫] তাসনিম সিদ্দিকী আরও বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বাংলাদেশের অভিবাসন খাত হুমকির মধ্যে পড়েছিল। তবে ২০২২ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে শ্রম অভিবাসনের হার আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। করোনা মহামারির সময় যেসব অভিবাসী বিদেশে যেতে পারেননি, ২০২২ ও ২০২৩ সালে তারা অভিবাসন করেছেন। এছাড়াও কোভিড-১৯ এর পরে মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য অভিবাসী গ্রহণকারী দেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালু হওয়ায় চাকরির বাজারও উন্মুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি সব ধরনের সৌদি প্রতিষ্ঠানে অভিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নির্ধারিত কোটা ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করার ফলে অভিবাসন বেড়েছে। তবে শুধু বাংলাদেশ থেকে নয় প্রতিটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশ থেকেই ২০২২ সাল থেকে অভিবাসন বেড়ে চলেছে।

[৬] ২০২৩ সালে মোট ৭৬ হাজার ৫১৯ জন নারী কর্মী কাজের জন্য বিদেশে গেছেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালে বিদেশগামী কর্মীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৪৬৬ জন। অর্থাৎ ২০২২ সালের তুলনায় নারী অভিবাসন প্রবাহ এই বছর ২৭.৪৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

[৭] তিনি আরো জানান,  এ বছরে মোট আন্তর্জাতিক অভিবাসনের ৫.৮৬ শতাংশ হলেন নারী কর্মী যা গতবছর ছিল ৯.৩ শতাংশ। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে আন্তর্জাতিক অভিবাসনের ক্ষেত্রেও নারী অভিবাসন ৩.৪৪ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এছাড়াও বিগত বছরের প্রবণতা অনুযায়ী ২০২৩ সালেও সবচেয়ে বেশি সংখ্যক অভিবাসী সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছেন জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ২০২৩ সালে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে অভিবাসন করেছেন ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭৪ জন যা মোট অভিবাসনের ৩৮.১২ শতাংশ। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী

এআই/এসসি/এসবি২

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়