শিরোনাম
◈ সংসদে মির্জা ফখরুলের চেয়ারে বসছেন সালাহউদ্দিন আহমদ, উপনেতা হচ্ছেন কি ◈ ঢাকায় আরও দুই রুটে মেট্রোরেল, ব্যয় বাড়ছে দ্বিগুণের বেশি! ◈ দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল সংশোধনসহ পাসের সুপারিশ, আইন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির ৩য় বৈঠক অনুষ্ঠিত ◈ ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল-২০২৬’ সংসদে পাঠানোর সিদ্ধান্ত, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কমিটির বৈঠকে ওয়াকআউট ◈ ১৪৯৮ পর্যটন স্পট নিয়ে সমন্বিত মহাপরিকল্পনা চূড়ান্তের পথে, আসছে ‘জাতীয় পর্যটন নীতিমালা ২০২৬’ ◈ ২৯ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৬৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার ◈ বিমান টিকিটে সিন্ডিকেট ভাঙতে ‘জিরো টলারেন্স’: এজেন্সির নাম-লাইসেন্স ও প্রকৃত মূল্য বাধ্যতামূলক ◈ দানের সম্পত্তি নিয়ে আসছে নতুন আইন ◈ বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১১ ◈ বৈদেশিক ঋণে উল্টো চিত্র, যত আসছে তার আড়াই গুণই যাচ্ছে: ইআরডি

প্রকাশিত : ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:১৭ বিকাল
আপডেট : ৩০ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বৈদেশিক ঋণে উল্টো চিত্র, যত আসছে তার আড়াই গুণই যাচ্ছে: ইআরডি

বাংলাদেশে নতুন যে পরিমাণ বৈদেশিক ঋণ আসছে, তার চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ চলে যাচ্ছে পুরোনো ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত ঋণের চেয়ে ২৭৩ দশমিক ০৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বেশি পরিশোধ করতে হয়েছে বাংলাদেশকে।

রোববার (৩০ আগস্ট) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে বাংলাদেশকে ১৮০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ ছাড় করেছে উন্নয়ন সহযোগীরা। তবে একই সময়ে আগে নেওয়া ঋণের আসল ও সুদ বাবদ বাংলাদেশ পরিশোধ করেছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, ছাড় হওয়া ঋণের বিপরীতে প্রায় আড়াই গুণ অর্থ পরিশোধে চলে গেছে।

ইআরডির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত অর্থবছরের (২০২৫-২৬) জুলাইয়ে বৈদেশিক ঋণ ছাড় হয়েছিল ২০৮ দশমিক ০৪ মিলিয়ন ডলার। সে তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে ঋণ ছাড় কমেছে ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। নতুন ঋণপ্রবাহ থমকে যাওয়া এবং ছাড়ের গতি ধীর হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার নিট প্রবাহে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

নতুন অর্থছাড় কমলেও পুরনো ঋণের বোঝার ওপর চাপ কমেনি। গত অর্থবছরের জুলাইয়ে বাংলাদেশ বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছিল ৪৪৬ দশমিক ৬৮ মিলিয়ন ডলার। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৫৩ দশমিক ২৩ মিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে একই সময়ে ঋণ পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।
 
উল্লেখ্য, আগের নেওয়া বৃহৎ প্রকল্পগুলোর আসল ও সুদের কিস্তি পরিশোধের সময় (গ্রেস পিরিয়ড) শেষ হয়ে আসায় ঋণ পরিশোধের চাপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিপরীতে নতুন প্রকল্পের অর্থছাড় প্রত্যাশিত হারে না হওয়ায় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সার্বিক অর্থপ্রবাহের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।

 

  • সর্বশেষ