শিরোনাম
◈ পাকিস্তানে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ নবজাতকের মৃত্যু ◈ বাংলাভাষী মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক অপরাধ বন্ধে ভারতকে জাতিসংঘের কড়া সতর্কবার্তা ◈ তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ভারত সফর নিয়ে দিল্লি কী ভাবছে? ◈ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, রাইফেল ফেলে পালালো বিএসএফ সদস্য ◈ ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজা, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি ◈ গ্যাস সংকট মোকাবিলায় রেশনিংয়ের সিদ্ধান্ত, উদ্যোক্তারা আনতে পারবেন ভোলার গ্যাস ◈ বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে দ্বিতীয় টে‌স্টে ইচ্ছে করেই এমন পিচ বানিয়েছে অস্ট্রেলিয়া : সু‌নীল গাভাস্কার ◈ চেন্নাই সুপার কিং‌সের ২৫ শতাংশ মালিকানা চেয়ে বসলেন ধোনি: না বলে দিলো সিএসকে, সম্পর্ক তলানিতে   ◈ সায়দাবাদে এসি বাসের জন্য আলাদা টার্মিনাল তৈরির সিদ্ধান্ত ◈ খুচরা বিক্রেতাদের সার বিক্রি অব্যাহত রাখতে নির্দেশ সরকারের

প্রকাশিত : ০৯ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এডিপি বাস্তবায়নে নতুন কৌশল, ‘ভ্যালু ফর মানি’ ও জবাবদিহিতায় জোর

দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে অনুন্নয়ন ও পরিচালন ব্যয়ের চাপ। তাই প্রতি বছর কাগজে-কলমে বাজেটের আকার বাড়লেও হোঁচট খায় উন্নয়ন বরাদ্দ। শেষ পর্যন্ত অনেক প্রকল্প শুরু হয়ে শেষ হয় না। বরাদ্দ জোটে না অসংখ্য কর্মসূচির ভাগ্যে। ফলে প্রশ্ন থেকেই যায় বাজেটের গুণগত পরিবর্তন নিয়ে।

২০ বছর পর সরকারের দায়িত্ব বিএনপির কাঁধে, তাই আগামী বাজেটে উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে আলাদা কিছু ভাবতে চান নীতিনির্ধারকরা। সে জন্য তৈরি হয়েছে একগুচ্ছ নতুন স্ট্র্যাটেজি।

চলতি জুনেই চলমান ৩১৪টি প্রকল্প শেষ করার ভাবনা সবার আগে। সেজন্য অর্থ বরাদ্দও হচ্ছে দ্রুত। ৮০টি প্রকল্প ছেড়ে দেওয়া হবে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের আওতায়। বাড়তি গুরুত্ব পাবে জলবায়ু পরিবর্তন। প্রকল্প তদারকিতে ব্যবহার হবে ডিজিটাল প্রজেক্ট প্রসেসিং সিস্টেম (পিপিএস)।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. মনজুর হোসেন বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প চালায়, সেগুলোকে যাতে একটা প্রোগ্রামের আওতায় আনা যায়; তা আনা হলে ফলাফলটা আমরা মনিটর করতে পারবো। সরকারের উচ্চমহল থেকে কঠোর নির্দেশনা আছে যে খুব জরুরি না হলে উচ্চ ব্যয়ের প্রকল্প না নেওয়ার জন্য এবং ভ্যালু ফর মানি যাতে নিশ্চিত হয়। যেটা আমাদের অর্থমন্ত্রী সবসময় বলছেন। রিটার্ন অব ইনভেস্টমেন্ট যাতে বেশি আসে, সে রকম প্রকল্পগুলোকে নির্বাচিত করা হবে।

পরিবর্তন আসছে এডিপি বাস্তবায়নের দর্শণেও। অনুমোদিত খাতের বাইরে টাকা খরচ করা যাবে না অন্য কোনো কাজে। পাবলিক মানি অ্যান্ড বাজেট ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট অনুসরণে কঠোর নির্দেশনা পেয়েছে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। বিদেশি ঋণের প্রকল্পে সরকারের পক্ষ থেকে ম্যাচিং ফান্ড বা সমপরিমাণ অর্থায়ন নিশ্চিতে থাকবে জোরালো চেষ্টা। প্রাক-সমীক্ষা ছাড়া নেওয়া যাবে না কোনো বড় প্রকল্প।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, যতগুলো প্রকল্প উনারা বাদ দিচ্ছেন, সেই প্রকল্প কোনো না কোনো দলের, কোনো না কোনো এমপির সংসদীয় এলাকায় বাস্তবায়ন হচ্ছিল। সুতরাং তারা দেখবেন যে তাদের ওখানে প্রকল্প বাদ দেওয়া হয়েছে। সুতরাং ওই জায়গটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উনারা এর পদ্ধতি ও স্বচ্ছতা, সম্ভব হলে প্রকল্প ধরে ধরে উনারা এটাকে সংক্ষেপে হলেও প্রকাশ্যে আনবেন, ব্যাখ্যা দেবেন এবং সেটার জবাবদিহিতার জন্য রেডি থাকবেন। 

এদিকে, কিছুদিন আগে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সভায় চূড়ান্ত হয়েছে ৩ লাখ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি। যার চূড়ান্ত অনুমোদন হবে বাজেট অধিবেশনে।  উৎস: যমুনা টেলিভিশন।

 

  • সর্বশেষ