শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ০৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:২৪ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : মনজুর এ আজিজ

আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ চায় রিহ্যাব, এনবিআরের ‘না’

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশের আবাসন খাতে কোনো প্রশ্ন ছাড়াই কম ট্যাক্সে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ চেয়েছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)। তবে এ প্রস্তাবে অস্বীকৃতি জানিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

বুধবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রাক-বাজেট আলোচনায় সংগঠনটির পক্ষ থেকে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ সময় রিহ্যাবের সভাপতি মো. ওয়াহিদুজ্জামান ও সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া খাতটির বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন। সংগঠনের লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ফ্ল্যাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে অর্থের উৎস সম্পর্কে কোনো কর্তৃপক্ষ যাতে প্রশ্ন তুলতে না পারে—আয়কর অধ্যাদেশে এ সংশ্লিষ্ট আগের বিধানটি পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়েছে।

রিহ্যাবের সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রবাসীরা অনেক সময় টাকা পাঠানোর পর ঘোষণা দেন না, তখন সেই অর্থ অঘোষিত বা কালো টাকা হিসেবে গণ্য হয়। এ টাকা দিয়ে ফ্ল্যাট কিনতে না দিলে তা বিদেশে চলে যায়।’ এ বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেন, ‘আমরা ৫৫ বছর ধরে এই সংস্কৃতিতে ছিলাম, আর থাকতে চাই না।’ তিনি বলেন, ‘এখন বিদেশ থেকে টাকা পাঠানো খুব সহজ, এবং আনুষ্ঠানিক চ্যানেলে পাঠালে সরকার প্রণোদনাও দিচ্ছে।

তাই প্রবাসীরা নিয়মিত হারে কর দিয়ে অর্থ বৈধ করবেন এর বাইরে কিছু করা যাবে না।’ প্রসঙ্গত, ২০২০-২১ অর্থবছরে সরকার একটি বিধান চালু করে, যেখানে আবাসন খাতে কালো টাকা বিনিয়োগ করলে কোনো কর্তৃপক্ষ প্রশ্ন তুলতে পারত না। পাশাপাশি যেখানে সাধারণ ক্রেতাদের সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ হারে কর দিতে হতো, সেখানে কালো টাকা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর ছিল মাত্র ১০ শতাংশ।

এ বিধান নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা হয় এবং পরে সরকার ধীরে ধীরে এ নীতি থেকে সরে আসে। বর্তমানে আবাসন খাতে বিনিয়োগে ১০ শতাংশ করের কোনো সুবিধা নেই। বরং নিয়মিত করহার এবং তার ওপর জরিমানা প্রযোজ্য হয়। একই সঙ্গে বিনিয়োগের উৎস সম্পর্কে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো প্রশ্ন তুলতে পারে। এছাড়া রিহ্যাব ফ্ল্যাট বা অ্যাপার্টমেন্ট ক্রয়-বিক্রয়ে নিবন্ধন খরচ কমানো, সেকেন্ডারি মার্কেট গড়ে তোলার জন্য বিশেষ সুবিধা দেওয়াসহ আরও কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে।

  • সর্বশেষ