শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ১২ মার্চ, ২০২৬, ১২:২১ রাত
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : মনজুর এ আজিজ

সমঝোতা ছাড়াই শেষ বিদ্যুৎ বিভাগ ও বিআইপিপিএ বৈঠক

মনজুর এ আজিজ : বিদ্যুৎ বিভাগ ও বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইপিপিএ ) বৈঠকে কোন রকম সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। সংকটের আশু সমাধান না হলে তেলের অভাবে অনেক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালিক ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) মধ্যে কয়েক মাস ধরে বাহাস চলছে। অন্তবর্তীকালীন সরকারের শেষ সময়ে নেওয়া এক সিদ্ধান্তে মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে না পারায় কয়েক হাজার কোটি টাকা এলডি (জরিমানা) ধরা হয়েছে। উদ্যোক্তাদের বক্তব্য হচ্ছে, বিল না পাওয়ায় তেল আমদানি করতে পারিনি, সে কারণে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী তারা এলডি করতে পারে না।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে বিআইপিপিএ সাবেক প্রেসিডেন্ট ইমরান করিম বলেন, চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বিল দিতে না পারলে বিপিডিবির বিদ্যুৎ চাওয়ার অধিকার রহিত হবে। যখন উৎপাদন সীমিত করা হয়েছে, সেই সময়ে এলডি ((জরিমানা) কর্তন করা হয়েছে। একই রকম পরিস্থিতিতে চীনা প্রতিষ্ঠান বরিশাল পাওয়ার কোম্পানির ২৭০ কোটি জরিমানা করা হয়। পরে সেই টাকা ফেরৎ দেওয়া হয়েছে। অথচ আমাদের ক্ষেত্রে ভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে এক রকম আচরণ করে, আর আমাদের সঙ্গে ভিন্ন রকম আচরণ করা হচ্ছে। অথচ চুক্তির শর্ত হুবহু একই। বিদেশি কোম্পানির বিল ৩ থেকে ৪ মাসের বেশি বকেয়া রাখা হয় না। আমাদের ৮ থেকে ১০ মাসের বকেয়া পড়েছে কিভাবে সচল রাখবো আমরা।

তেলভিত্তিক বেসরকারি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিল বকেয়া পড়েছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। কোম্পানিগুলোর দাবি হচ্ছে, বিল না পাওয়ায় তেল আমদানি করতে পারছে না। মজুদ তেল এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই ফুরিয়ে যাবে। এরপর বিদ্যুৎ কেন্দ্র সচল রাখা সম্ভব হবে না।

Advertisement

এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত প্রথমবারের মতো মঙ্গলবার বিআইপিপিএ নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। বৈঠকের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান আশা করেছিলেন অনেকেই। কিন্তু সেই বৈঠকে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি বলে বৈঠক সূত্র জানিয়েছে।

ওই সূত্র বলেছে, প্রতিমন্ত্রীর সব বিষয়ে জানার পর সমস্যা নিরসনের জন্য সময় চেয়েছেন। তিনি দেশীয় উদ্যোক্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। যে কোন সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের কথা বলেছেন। কোন বিষয়ে কোর্ট-কাচারি হওয়া উচিৎ না বল উল্লেখ করেছেন।

সভায় বিআইপিপিএ’র পক্ষ থেকে ঈদের ছুটির আগেই কমপক্ষে দেড় থেকে দুই হাজার কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে। না হলে তেল আমদানি অভাবে বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধের শঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, তেল আমদানি করতে কমপক্ষে ৪০ দিন সময় প্রয়োজন হয়। ঈদের আগে এলসি খোলা জরুরি।

বিআইপিপিএ প্রেসিডেন্ট কেএম রেজাউল হাসানাত বলেছেন, সমস্যা নিরসনে সময় দেওয়ার কথা বলেছেন প্রতিমন্ত্রী। কিন্তু আমাদের অবস্থা এতই খারাপ, কোন ব্যাংক আর টাকা দিতে চাচ্ছে না। এই অবস্থায় তেল আমদানি করবো কিভাবে। আমরা প্রতিমন্ত্রীকে সার্বিক অবস্থা অবগত করেছি, তিনি দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন। বিআইপিপিএ’র পক্ষ থেকে একদিন আগেই (৯ মার্চ) সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে বলা হয়, অর্থের সংকট থাকলে সরকার আমাদের বন্ড দিতে পারে। এভাবেই সমস্যার সমাধান বের করা যায়।

  • সর্বশেষ