শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ০৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:০৬ দুপুর
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মার্কিন ট্যারিফে চাপে দেশের পোশাকখাত

ইউরোপ ও আমেরিকার অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং সেখানকার নাগরিকদের কেনাকাটার কমে যাওয়ার ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিদেশি বায়ার প্রতিষ্ঠানগুলোর মার্কিন ট্যারিফ পরিশোধ নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতা এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনসংক্রান্ত রাজনৈতিক উত্তেজনা। ফলে গার্মেন্টসের অর্ডার ক্রমশ কমছে।

চলতি অর্থবছরের ৬ মাসের মধ্যে জুলাই মাসে রেকর্ড ২৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি পর পরেই মার্কিন ট্যারিফ জটিতার কবলে পড়ে বাংলাদেশের গার্মেন্টস সেক্টর। আপাতত ট্যারিফ সংকটের সমাধান হলেও পরবর্তী বাকি ৫ মাসে রফতানি আয় কমার সঙ্গে সঙ্গে প্রবৃদ্ধিও কমেছে।

এরমধ্যে সবশেষ ডিসেম্বর মাসে ৩ দশমিক ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। যা আগের অর্থবছরে ছিল ৩ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিজিএমইএর পরিচালক রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে রফতানি আয়ের প্রবৃদ্ধি নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের ট্যারিফ ঘোষণার পর থেকেই অর্ডার কমতে শুরু করেছে।
 
বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৫ মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৩ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোতে ৭ দশমিক ৮৩ মার্কিন ডলার, যুক্তরাজ্যে ১ দশমিক ৮৪ মার্কিন ডলার এবং অপ্রচলিত বাজারের দেশে ২ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ।
  
প্রথম পর্যায়ে ট্যারিফ জটিলতা এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বায়ার প্রতিষ্ঠানগুলো অর্ডার দেয়ার ক্ষেত্রে ধীরে চলো নীতিতে চলছে বলে দাবি বিজিএমইএর। বিজিএমইএর ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রফিক চৌধুরী বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা এবং সামনে নির্বাচন থাকায় বায়াররা সম্ভাব্য লোকসানের আশঙ্কায় বাংলাদেশে অর্ডার কমিয়ে অন্য দেশে তা বাড়িয়ে দিয়েছে।
 
অবশ্য বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের অর্ডার কমার ক্ষেত্রে আরও বেশ কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করেছেন ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। এর মধ্যে ইউরোপ-আমেরিকার মতো ক্রেতা দেশগুলোতেও চলমান অর্থনৈতিক অস্থিরতাও অন্যতম কারণ। ফলে সেখানকার নাগরিকদের কেনাকাটাও সীমিত হয়ে আসার প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে।
 
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরামের চেয়ারম্যান এসএম আবু তৈয়ব বলেন, ইউরোপ অথবা অন্যান্য বাজারগুলোতেও অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ক্রেতারা কম কিনছে, যা সরাসরি বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাতকে প্রভাবিত করছে।
 
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের গার্মেন্টস মালিকরা মোট ৩৯ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছিলেন। দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে নানা সংকটের মধ্যেও এগিয়ে চলেছে খাতটি। ব্যবসায়ীরা আশাবাদী, মার্কিন ট্যারিফ ও অন্যান্য জটিলতা কাটিয়ে আগামীতে গার্মেন্টস সেক্টর আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। উৎস: সময়নিউজটিভি।

  • সর্বশেষ