শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ২৪ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৪ দুপুর
আপডেট : ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোটিপতি কৃষক সজল, কর্মচারীদের বেতনই দেন ৫ লাখ টাকা! (ভিডিও)

নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং কৃষি কাজের প্রতি ভালোবাসা দিয়ে কোটিপতি হয়েছেন চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার মানিকপুর সীমান্ত গ্রামের কৃষক সজল আহমেদ। বর্তমানে তিনি সমন্বিত ফল চাষের মাধ্যমে শুধু নিজেই স্বাবলম্বী হননি, এলাকার ৪২ জন মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করেছেন।

এই ব্যতিক্রমী কৃষককে নিয়ে বিস্তারিত তথ্য:

বিশাল কৃষি সাম্রাজ্য: ২০০৯ সালে মাত্র সাত বিঘা জমি নিয়ে বরই ও পেয়ারা চাষ শুরু করলেও বর্তমানে সজল আহমেদের মোট ১০টি বাগান রয়েছে, যা প্রায় ১৩৯ বিঘা জমি জুড়ে বিস্তৃত।

ফলের বৈচিত্র্য: তার বাগানে দেশি ফলের পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বিদেশি জাতের ফল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—কমলা, মালটা, বারোমাসি গোলাপি কাঁঠাল, মিষ্টি তেঁতুল, রামবুটান, অ্যাভোকাডো, লংগান ও সৌদি খেজুর। এছাড়াও তার ৫টি ছোট নার্সারিও রয়েছে।

Advertisement

আয় ও মুনাফা: সজল আহমেদ প্রতি বছর তার বাগান থেকে প্রায় ৪ কোটি টাকার ফল বিক্রি করেন। সব খরচ বাদ দিয়ে বছর শেষে তার প্রায় দেড় কোটি টাকা লাভ থাকে।

কর্মসংস্থান: তার এই বিশাল কর্মযজ্ঞে বর্তমানে ৪২ জন শ্রমিক কাজ করেন। তিনি প্রতি মাসে শুধুমাত্র কর্মচারীদের বেতন বাবদ প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ করেন।

শুরুর দিকের চ্যালেঞ্জ: প্রথম যখন তিনি এই চাষ শুরু করেন, তখন এলাকার মানুষজন তাকে পাগল বলে তিরস্কার করত। তবে প্রথম বছরেই ভালো লাভ হওয়ায় তিনি এই কাজে আরও মনোযোগী হন এবং চাষাবাদের পরিধি বাড়াতে থাকেন।

দর্শনার্থীর ভিড়: বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষজন তার এই ফলের রাজ্য দেখতে আসেন। দর্শনার্থীরা বাগান থেকে নিজ হাতে পেড়ে টাটকা ফল ও কমলার স্বাদ নেন, যা বাজারের ফলের তুলনায় সুস্বাদু ও টাটকা বলে তারা জানান।

  • সর্বশেষ