শিরোনাম
◈ বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে নতুন নেতৃত্ব গড়তে চায় বিএনপি ◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশিত : ১৯ অক্টোবর, ২০২৫, ০৬:৫১ বিকাল
আপডেট : ১৮ জুলাই, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৪০ বছর পর চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন ট্যারিফ বাস্তবায়ন, কর্তৃপক্ষ বলছে বাড়বে দেশের আয়

চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা খাতসমূহের নতুন ট্যারিফ গত ১৪ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাত থেকে বাস্তবায়িত হওয়ার প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয় যে, দীর্ঘ ৪০ বছর পর বাস্তবভিত্তিক ট্যারিফ নির্ধারণের ফলে এর প্রকৃত সুফল পাবেন দেশের সাধারণ মানুষ। ট্যারিফ বৃদ্ধির ফলে চট্টগ্রাম বন্দরের আয় বাড়লে দেশের আয়ও বাড়বে।

বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয় যে, দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় ৯২ শতাংশ এবং কনটেইনার পরিবহনের প্রায় ১৯ শতাংশ পরিবাহিত হয় চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এই অংশিদারিত্ব বলে দিচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মূল গেটওয়ে হচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর।

পরিবর্তিত বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেবা প্রদান ও তার বাস্তবায়নে প্রয়োজন বিপুল পরিমাণ অর্থ কিন্তু চট্টগ্রাম বন্দরের আয়ের মূল উৎস সেবা মাশুল বা ট্যারিফ রয়ে গিয়েছিল ৪০ বছর আগের কাঠামোতে। ব্যয়ের সঙ্গে ছিল না আয়ের সামঞ্জস্য। অথচ একই সময় বিশ্বের অন্যান্য বন্দর এবং আঞ্চলিক বন্দরসমূহে ট্যারিফ বেড়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর রুটে চলাচলকারী জাহাজের ভাড়াও বেড়েছে কয়েকগুণ। জ্বালানি ব্যয়, জনবল ব্যয়, জাহাজ নির্মাণ ব্যয় ও অন্যান্য ব্যয় বিবেচনায় জাহাজ অপারেটররা প্রতিনিয়ত ভাড়া বাড়ালেও চট্টগ্রাম বন্দরের ট্যারিফের পরিবর্তন হয়নি বিগত ৪০ বছরেও। শুধু জাহাজ ভাড়া নয় বন্দরসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবাপ্রদানকারী সেবা মূল্যও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। অবকাঠামোগত চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন, যন্ত্রপাতি ক্রয় ও জ্বালানি ব্যয়, সাপোর্ট ভেসেল ক্রয়, চলাচল ও মেরামত ব্যয় বেড়েছে বহুগুণে। সামগ্রিক ব্যয়বৃদ্ধির বাস্তবতাকে সামনে রেখে ২০১৯ সালে সেবা মাশুল বা ট্যারিফ বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয় সরকার। এর আগে ২০১৩ সালে উদ্যোগ নিলেও স্টেক হোল্ডারদের বিরোধিতায় তা আলোর মুখ দেখেনি। ২০২০ সালে সরকার আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বন্দরগুলোর ট্যারিফ বিবেচনায় বাস্তবসম্মত ট্যারিফ নির্ধারণে স্পেনের স্বনামধন্য পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ‘আইডম’-কে নিয়োগ দেয়। এই প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব ও নৌপরিবহন উপদেষ্টার উপস্থিতিতে স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় আলোচনার পর আলোচ্য ট্যারিফ গত ১৪ সেপ্টেম্বর গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ