শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৯:০১ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নতুন প্রজ্ঞাপন: বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণও থাকবে কেন্দ্রীয় নজরে

বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে। এ জন্য উদ্যোক্তারা বিদেশ থেকে নেওয়া ঋণের সব তথ্য ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরোর (সিআইবি) ডেটাবেজে জমা দিতে বাধ্য থাকবেন।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বলা হয়, বৈদেশিক ঋণ (সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটসহ) সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে জমা দেওয়া না হলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে জরিমানা দিতে হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ঋণের উৎস দেশ, মুদ্রা, অনুমোদন কর্তৃপক্ষ এবং ঋণের মান সম্পর্কিত তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে। কোনও নতুন ঋণগ্রহণ, সমন্বয় বা মান পরিবর্তন হলে তাৎক্ষণিকভাবে সিআইবিতে যুক্ত করতে হবে। আগামী নভেম্বর থেকে প্রতি মাসে আগের মাসের তথ্য জমা দিতে হবে ব্যাংকগুলোকে।

এখনও পর্যন্ত সিআইবি ডেটাবেজে শুধু অভ্যন্তরীণ ব্যাংকঋণের তথ্য সংরক্ষিত হয়। ফলে নতুন কোনো ঋণ মঞ্জুরের আগে ব্যাংকগুলো সিআইবি থেকে ঋণগ্রহীতার তথ্য যাচাই করে নেয়। তবে বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণের কোনও তথ্য সেখানে নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের জুনের শেষে বেসরকারি খাতে বৈদেশিক ঋণ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা তিন মাস আগে ছিল ১৯ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলার। অপরদিকে সরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণ বেড়ে হয়েছে ৯২ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার, যা তিন মাস আগে ছিল ৮৪ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলার। উৎস: বাংলা ট্রিবিউন।

 

  • সর্বশেষ