শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাজ্যের হোম অফিসের ৮৬ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন প্রকাশ ◈ ফেরদৌসী মিষ্টির আসনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন যে ৬৭ নারী নেত্রী ◈ দীপকের আটক ঘিরে নেতৃত্বের সংকট, বিকল্প পরিকল্পনা ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত সিজেপির ◈ হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পূজা এলেই নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা ওঠা জাতীয় জীবনের জন্য দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কাভার্ডভ্যান চুরি হওয়া ক্রিকেটারের টাকা যেভাবে উদ্ধার হলো ◈ মক্কায় দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর জানত না ঢাকা, তথ্য চেয়ে সৌদি আরবকে চিঠি ◈ হাসিনা-কামালসহ হাদী হত্যা মামলার আসামিদের ফেরত চাইবে বাংলাদেশ, ভারতকে কনস্যুলার সংলাপে চাপ ◈ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ৮-১০ লাখ টাকায় প্রশ্ন-উত্তর বিক্রি: গ্রেপ্তার ৭ ◈ জামায়াত কার্যালয়ে হামলা: কুমিল্লা মহানগর কমিটি বিলুপ্ত, তদন্ত কমিটি গঠন ◈ ভারতে ভোটার তালিকা থেকে ১৩ কোটি নাম বাদ, ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন শাহিদাদের

প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৭:৪৫ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যাংকের মূলধন ১০ শতাংশের কম হলে কর্মকর্তারা বোনাস পাবেন না: গভর্নর আহসান এইচ মনসুর

কোনো ব্যাংকের মূলধন যদি ১০ শতাংশের নিচে হয় এবং প্রভিশন ঘাটতি থাকে তাহলে ওই ব্যাংকের শেয়ার হোল্ডারদের ডিভিডেন্ট (মুনাফা) দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। পাশাপাশি এসব ব্যাংকের কোনো কর্মকর্তাকে বোনাস দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর নন-রেসিডেন্ট বাংলাদেশ-এনআরবি আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ; আসন্ন নির্বাচন, প্রবাসীদের অংশগ্রহণ, আগামীর অর্থনীতি’ শিরোনামে এক আলোচনায় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা জানান।

আহসান এইচ মনসুর বলেন, গত কয়েক বছর অর্থ ব্যবস্থায় শঙ্কা তৈরি হয়, একটা অস্থিরতা বিরাজ করছিল। সেখান থেকে ফিরিয়ে আনতে আমরা কাজ করছি এবং আংশিক হলেও কাজ করছি। চেষ্টা করছি বাংলাদেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করার।

তিনি বলেন, বর্তমানে ব্যালেন্স অব পেমেন্ট সবগুলোতেই উদ্বৃত্ত আছে। এর কারণ হলো রেমিট্যান্সপ্রবাহ ২১ শতাংশ বেড়েছে। আবার সংকটের মধ্যেও রপ্তানিও বেড়েছে।  

Advertisement

জুনের ঋণখেলাপি রিপোর্টে ৩০ শতাংশ খেলাপির আশঙ্কা করা হচ্ছে জানিয়ে গভর্নর বলেন, পাঁচটি ব্যাংক একীভূত করার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) আলোচনা শুরু হবে। এটা এক-দুই বছরের মধ্যে ভালো করবে। কর্মকর্তা ও আমানতকারীদের জন্যও ভালো হবে।

তিনি বলেন, হুন্ডি কমে এসেছে। প্রবাসী আয়ের ৩০ শতাংশ লিকেজ হতো। আমদানি কমেনি, তবে মূল্যটা কমে এসেছে। মূল্য বাড়িয়ে পাচার করার মানুষ এখন দেশে নেই, তাই ব্যয় কমেছে। যেভাবে অর্থপাচার হতো সেভাবে এখন হয় না। এর পেছনে কাজ করছে সুশাসন। এজন্যই বেড়েছে রিজার্ভ।

গভর্নর বলেন, ডলার সংকট না থাকলেও টাকার সংকট রয়েছে। এখন মূল্যস্ফীতি নিয়ে কাজ করছি, আরও কাজ করতে হবে। এটা একদিনে হয় না, সময় লাগে। চালের দামটা বেড়ে যাওয়ায় আগস্টে কিছুটা মূল্যস্ফীতি বেড়েছে, তবে মূল্যস্ফীতি আমাদের ৫ শতাংশের নিচে নামাতেই হবে। উৎস: বাংলানিউজ২৪

 

  • সর্বশেষ