শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২২, ০৬:২৫ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুলাই, ২০২২, ০৬:২৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজস্ব ব্যবস্থাকে বদলে দেব: এনবিআর চেয়ারম্যান

এনবিআর চেয়ারম্যান

মনজুর এ আজিজ: রাজস্বব্যবস্থাকে বদলে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম। তিনি বলেন, জোর করে কারো কাছ থেকে রাজস্ব আহরণ করা যায় না। সে জন্য জনগণকে সচেতন করতে হবে। জনগণ সহজেই যেন কর দিতে পারে সে জন্য সংস্কারের মাধ্যমে রাজস্বব্যবস্থাকে বদলে দেয়া হবে। মঙ্গলবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রাজস্ব ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। 

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমরা জোর দিয়েছি আটো সিস্টেমের ওপর। সিস্টেম যাতে সহজ হয় সেজন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এ সময় এনবিআরের জ্যেষ্ঠ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে ১৮তম লটারির ড্রয়ের পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে চেয়ারম্যান জানান, গত তিন বছর পর পর করহার কমানো হয়েছে। ধারণা করা হয়, করহার কমলে রাজস্ব আহরণে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা থাকে। কিন্তু এটা ঠিক নয়, বরং করহার কমালে ও আদায় প্রক্রিয়া সহজ করলে রাজস্ব আদায় বাড়ে। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনবিআর কাজ করছে।

বর্ধিত কর আহরণের জন্য নেট বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এনবিআর চেয়ারম্যান। দেশে করদাতা শনাক্তকারী নম্বর বা টিআইএনধারীর সংখ্যা অনেক বেশি হলেও সে অনুযায়ী রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা কম বলে জানান তিনি।

এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, নতুন অর্থবছরে রিটার্ন জমার সংখ্যা বাড়ানোর জন্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সেটি হলো রিটার্ন দাখিলের সঙ্গে আগের বছরের দলিলপত্র ও আনুষঙ্গিক প্রমাণাদি জমা দেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এতে রিটার্ন দাখিলের সংখ্যা আগের চেয়ে অনেক বাড়বে। তিনি বলেন, উপজেলা পর্যন্ত নতুন করদাতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সেজন্য উপজেলা পর্যন্ত কর অফিস সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করে তা জনপ্রশাসনে জমা দেয়া হয়েছে। 

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও কাস্টমসে আধুনিকায়নের প্রক্রিয়া চলছে। ফলে গোটা রাজস্বব্যবস্থা বদলে যাবে। রাজস্ব আহরণে বাড়বে গতি। সামগ্রিকভাবে দেশের চেহারা বদলে দেয়ার জন্য এনবিআর বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে আগামী দিনে।

ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস বা ইএফডি একটি নতুন প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তিতে অভ্যস্ত হতে একটু সময় লাগবে। সারা দেশে ৭ হাজার ভ্যাট মেশিন বসানো হয়েছে। যদিও গত বছর পর্যন্ত টার্গেট ছিল ১০ হাজার মেশিন বসানোর। ইএফডি মেশিন ব্যবহারে উৎসাহিত করতে লটারি সিস্টেম চালু করা হলেও এর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ তেমন নেই। 

তিনি জানান, লটারি ড্রর পর পুরস্কারের জন্য আবেদন জমা হয়েছে প্রায় ১৮০০। কিন্তু দাবি এসেছে মাত্র একটি। খুচরা পর্যায় ভ্যাট আদায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, এই খাতে ভ্যাট আদায় প্রক্রিয়া এখনো অস্বচ্ছ। স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। 

  • সর্বশেষ