শিরোনাম
◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী ◈ প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকে ‘যৌক্তিক’ দাবি করা সেই এএসআই প্রত্যাহার ◈ এলপিজির নির্ধারিত দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নজরদারির নির্দেশ

প্রকাশিত : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:৩০ বিকাল
আপডেট : ২৫ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৫:৩০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেরপুরে চাঞ্চল্যকর গণধর্ষণ মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

আমান উল্লাহ

তপু সরকার, শেরপুর: র‌্যাব-(১৪) অপস কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার আশিক উজ্জামান এক প্রেসব্রিফিং এ বলেন, ভিকটিম (১৫) কালিয়াকৈর রতনপুর স্থানীয় একটি ব্রাক স্কুলে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়াশোনা করতেন। প্রতি বছরের ন্যায় রোজার ঈদে ছুটি কাটানোর উদ্দেশ্যে সপরিবারে ভিকটিম গত ৬ বছর আগে গ্রামের বাড়িতে যান। ছুটি শেষে ভিকটিমকে তার নানীর কাছে রেখে ভিকটিমের পরিবার গাজীপুরে চলে যাওয়ার কিছুদিন পর ভিকটিমের মামা ভিকটিমের মা কে ফোন করে জানায় ভিকটিম কে পাওয়া যাচ্ছেনা।

খবর পেয়ে তার মা গ্রামের বাড়িতে চলে এসে জানতে পারেন, মো. আমান উল্লাহ (২৩), পিতা-মৃত ফজল হক, ভিকটিমের বাড়িতে এসে কথাবার্তা বলার সুবাদে তাদের মধ্যে সখ্যতা গড়ে উঠে। ভিকটিম মো. আমান কে বিয়ের প্রস্তাব দিলে তা প্রত্যাখান করায় ধর্ষন ও হত্যার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় তিনি।

এমতাবস্থায় আসামি ভিকটিমের সাথে কথা বলার উদ্দেশ্যে বাড়িতে এসে ভিকটিমকে ডেকে নিয়ে যায়। তারপর থেকেই ভিকটিম নিখোঁজ হয় এবং আসামি আমান উল্লাহ ও তার মা এবং কালু মিয়া পলাতক হয়।

ভিকটিমের মা বিভিন্ন জায়গায় খোজাখুজি করে কোন সন্ধান না পেয়ে স্থানীয় মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম কে বিষয়টি অবগত করেন। মেম্বার এর কাছে জনৈক ফজল ফোন করে জানান যে, জিয়ারখালে একটি মরদেহ পাওয়া গেছে। এই সংবাদের প্রেক্ষিতে তারা পশ্চিম বাঁকাকুড়া সাকিনে এতিমখানার পশ্চিম পাশে জিয়ারখালে পানিতে ভাসমান একজনের মরদেহ দেখতে পেয়ে পানি থেকে উপরে তুলে তার মেয়ের মরদেহ শনাক্ত করেন।

মরদেহটি বীভৎস অবস্থায় দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে সংবাদ দিলে পুলিশ এসে ভিকটিমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায়। এর প্রেক্ষিতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার পর থেকেই আসামী আত্মগোপনে চলে যায়। দীর্ঘ ০৭ বছর আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় দেশের বিভিন্ন স্থানে সামিউল ইসলাম নাম ধারণ করে শ্রমিক এবং রাজমিস্ত্রি পেশায় নিয়োজিত ছিল। পরবর্তীতে বিজ্ঞ বিচারক, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, আসামি কে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে।

পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ এর মাধ্যমে জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামান এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এম.এম. সবুজ রানা এর নেতৃত্বে একটি দল ২৪ জানুয়ারি গাজীপুর জেলা শ্রীপুর থানাধীন তাকুয়া গার্মেন্টস এর সামনে হতে আসামিকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত আসামিকে ঝিনাইগাতি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সম্পাদনা: অনিক কর্মকার

প্রতিনিধি/একে/এনএইচ

  • সর্বশেষ