শিরোনাম
◈ বৈধ অস্ত্রের ভয়-ভীতি দেখালে কী শাস্তি, লাইসেন্স পেতে কী যোগ্যতা লাগে জানুন নিয়ম ◈ ছবি চালিয়ে বিদ্যুৎ বিলের টাকাও উঠছে না, চিরতরে বন্ধ হচ্ছে গাজীপুরের ‘উল্কা’ সিনেমা হল ◈ কক্সবাজারের পাহাড়ি সড়কে দুই দফায় ডাকাতি, ১৫-১৬টি যানবাহনের যাত্রীদের মালামাল লুট ◈ ঢাকা-২৩ আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির মনোনয়ন পেতে ৬৯ প্রার্থীর সাক্ষাৎকার নিলেন তারেক রহমান ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের এ মাসেই বাড়তি বেতন-ভাতা নিয়ে যা জানাল অর্থ মন্ত্রণালয় ◈ পরমাণু ও সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লে চাপ নিতে প্রস্তুত কি দেশের গ্রিড? বড় চ্যালেঞ্জ স্পিনিং রিজার্ভ ◈ ওমা‌নের মা‌ঠে সুপার ওভারে আফগানিস্তানকে হারালো বাংলাদেশ ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ পেতে সময় লাগছে মাত্র ১৫-২০ মিনিট, জানালেন বিমানমন্ত্রী ◈ হা‌রের ক্ষত না শুকা‌তেই আইসিসির শাস্তি পেলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ◈ ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির মামলায় ৯৯ বার পেছাল তদন্ত প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৪:৩৪ দুপুর
আপডেট : ০১ অক্টোবর, ২০২২, ০৮:১৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আদালতে ক্ষমা চাইবেন মরিয়ম মান্নান

রহিমা বেগম ও মরিয়ম মান্নান

আলামিন শিবলী: নিখোঁজের ২৯ দিন পর উদ্ধার হওয়া খুলনার রহিমা বেগম ‘অপহৃত হয়েছিলেন’ বলে যে জবানবন্দি পুলিশ ও আদালতকে দিয়েছিলেন তা মিথ্যা বলে স্বীকার করেছেন তার মেয়ে মরিয়ম মান্নান। দেশ রূপান্তর 

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মাকে উদ্ধারের ৫ দিনের মাথায় জবানবন্দি পরিবর্তনের আবেদন করবেন বলেও জানান মরিয়ম। তার সঙ্গে কথা হলে বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে মরিয়ম মান্নান বলেন, তিনি আদালতের কাছে ক্ষমা চাইবেন।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে উদ্ধার করা হয় মরিয়মের মা রহিমা বেগমকে। উদ্ধারের পর ১৫ ঘণ্টা কোন কথা বলেননি রহিমা বেগম। পরদিন সন্তানদের সঙ্গে দেখা করার পর পিবিআইয়ের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রহিমা বেগম দাবি করেন, অপহরণ করা হয়েছিল। তবে তাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, সেটি বলতে পারেননি। তার দাবি ছিল পানি আনতে গেলে তিন-চারজন তার মুখে কাপড় ধরে কিছু একটা দিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে মরিয়ম জানান, ফরিদপুরে তার মায়ের অবস্থানের খবর আগেই জেনেছিলেন। তবে নানা জনের নানা পরামর্শে সেটি বিশ্বাস করেননি তিনি। এজন্যই তিনি ময়মনসিংহের অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহকে মায়ের দাবি করে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন।

মরিয়ম আরও বলেন, অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহকে মা ভাবার কারণে তিনিসহ অন্য ভাইবোনেরা ‘স্বাভাবিক অবস্থায়’ ছিলেন না। এ কারণেই তারা রহিমা বেগমের বান্দরবান ও ফরিদপুরে অবস্থানের তথ্যকে ‘গুরুত্ব’ দেননি।

মায়ের নিখোঁজ হওয়ার পেছনে বরাবরই প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমির বিরোধের বিষয়টিকে দায়ী করে আসছিলেন মরিয়ম। রহিমা নিখোঁজের পরদিন দৌলতপুর থানায় অপহরণের মামলা করেন তার আরেক মেয়ে আদুরী। ওই মামলায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে মরিয়ম বলেন, আমরা মামলায় কারও নাম দিইনি। সন্দেহভাজনদের নাম দিয়েছিলাম। তাদের সন্দেহের যথেষ্ট কারণ ছিল। পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করেছে। আমি ইতিমধ্যে আইনজীবীকে বলে দিয়েছি, মামলাটি তুলে নিতে। তখন তাদের প্রতি সন্দেহ হওয়ার যথেষ্ট কারণ ছিল। এখন তো মনে হচ্ছে মা আত্মগোপনে ছিলেন। তাই মামলাটি তুলে নেব। এছাড়া বিষয়টি নিয়ে আদালতের কাছে ক্ষমাও চাইব।

  • সর্বশেষ