শিরোনাম

প্রকাশিত : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৩:৫৩ দুপুর
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ০৩:৫৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাজধানীতে মোটরসাইকেল চুরি করে নোয়াখালীতে বিক্রি 

সংবাদ সম্মেলন

মাসুদ আলম : রাজধানীতে ও নোয়াখালী জেলার চাটখিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৫টি চোরাই মোটরসাইকেলসহ চোর চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের  উত্তরা বিভাগ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-মোহাম্মদ আলী, আানোয়ার হোসেন রুবেল, সামছুল হুদা, কামাল হোসেন ওরফে  আকাশ ও মো. মিজান। বুধবার তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। 

বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, এ চক্রের মোহাম্মদ আলী মোটরসাইকেল চুরি করার জন্য টার্গেটকৃত মোটরসাইকেলের আশপাশে গিয়ে তার সহযোগীদের নিয়ে ঘোরাঘুরি করে। অনেক সময় মোটরসাইকেলের উপর বসে নিজেরা কথা বলে। পরবর্তী সময়ে সুযোগ বুঝে তাদের নিজেদের তৈরি করা চাবি  দিয়ে মোটর সাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, মোহাম্মদ আলী তার সহযোগী কয়েকজনসহ গত কয়েক বছর ধরে ঢাকার উত্তরা এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল চুরি করে থাকে। পরে ওই মোটরসাইকেলগুলো নোয়াখালী জেলার চাটখিল ও সোনাইমুড়ী থানা এলাকায় বিক্রি করে। তাদের পেশাই হচ্ছে মোটরসাইকেল চুরি করা।

তিনি বলেন, যারা চুরি করে এবং কম টাকায় এসব চোরাই মোটরসাইকেল ক্রয় করে ব্যবহার করেন তারাও একই অপরাধে অপরাধী হবেন। ঢাকায় মোটরসাইকেল চুরি মোটরসাইকেল চুরি হলে অনেকেই থানায় জিডি বা মামলা করেন না। রাজধানী থেকে যে কোনো গাড়ি চুরি হলেই মামলা না করলে অন্তত জিডি করার পরামর্শ দেন হারুন অর রশীদ। এরপর সেই জিডি ডিবির কাছে দিলে ডিবি তদন্ত করে চোর চক্রকে গ্রেপ্তার করবে এবং মোটরসাইকেল উদ্ধার করবে বলেও জানান তিনি।

ডিবি প্রধান বলেন, দোহার, নবাবগঞ্জ ও নোয়াখালীতে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র চেক করা হলে কম সংখ্যক মোটরসাইকেলের সঠিক কাগজপত্র পাওয়া যাবে। এসব চোরাই মোটরসাইকেলের অধিকাংশেরই কাগজ নেই। চোরাই মোটরসাইকেল যার কাছ থেকে পাওয়া যাবে সেই চোর হবে এবং তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। পুরাতন মোটরসাইকেল কেনার আগে অবশ্যই কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে কেনার পরামরশ দেন তিনি।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। উদ্ধার হওয়া ১৫টি মোটর সাইকেলের মধ্যে ইতোমধ্যে ৬ জনের মালিকানা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়