শিরোনাম
◈ বিক্ষোভ দমনে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন, নিহত অন্তত ২১ ◈ বসুন্ধরায় ভেজাল মদের কারখানা, ওয়ারীতে দূরনিয়ন্ত্রিত ‘কুশ’ ল্যাবের সন্ধান, গ্রেপ্তার ৪ ◈ ক্ষতির মুখে দিল্লির সুতা শিল্প: যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার ভারতের ওপর শুল্ক আরোপের পথে বাংলাদেশ ◈ বড় সুখবর! সৌদি আরবে এক খাতেই প্রবাসী কর্মী লাগবে ১৬ লাখের বেশি ◈ মনোনয়ন বাতিল হয়নি দাবি হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সির (ভিডিও) ◈ পাইপলাইনের ওপর ঘর তুলে অভিনব কায়দায় বিপিসির তেল চুরি (ভিডিও) ◈ ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: পোলিং ও নির্বাচনি এজেন্ট সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি ◈ নীতিগত ব্যর্থতা ও দুর্নীতির চিত্র: টেলিযোগাযোগ খাতের ৩,২৭২ পৃষ্ঠার শ্বেতপত্র প্রকাশ ◈ সিদ্ধান্ত নিতে হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ ও স্বার্থ বিবেচনা করে: তামিম ◈ গাইবান্ধায় ১৪৪ ধারা জারি

প্রকাশিত : ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ১১:৫৮ দুপুর
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২৫, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাবকে সরিয়ে দিতে আদালতে আবেদন

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত থেকে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‌্যাব) সরিয়ে দিতে আদালতে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

আজ সোমবার সকালে আদালতে এই আবেদন করা হয়।

এর আগে রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) মামলার বাদি রুনির ভাই নওশের রোমান অভিযোগ করেন, এই হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতেই র‌্যাবকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। হত্যা রহস্য উদঘাটনে আইনজীবীও নিয়োগ করা হয়েছে।

সাগর-রুনি হত্যার পর কেটে গেছে এক যুগেরও বেশি সময়। কিন্তু এ হত্যা রহস্যের কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি কোনো সংস্থাই। পুলিশ, সিআইডির একের পর এক হাতঘুরে মামলার তদন্তভার র‍্যাবের কাছে গেলেও নেই কোনো অগ্রগতি। ১১৩ বার পিছিয়েছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়।


গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আশার আলো দেখতে শুরু করেছেন মামলার বাদি রুনির ভাই নওশের রোমান। নিয়োগ দিয়েছেন আইনজীবীও।

নতুন নিয়োগ পাওয়া আইনজীবী শিশির মনির জানান, আন্তুরিকভাবে কাজ করলে এতদিনে বের হয়ে আসতো হত্যা রহস্য। তদন্তভার পিবিআইকে দিতে আদালতে আবেদন করা হবে।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় খুন হন। সে সময় পাঁচ বছর বয়সী তাদের একমাত্র ছেলে মাহির সারোয়ার মেঘ ওই বাড়িতে ছিল। হত্যাকাণ্ডে রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলা থানায় মামলা করেন।

মামলার পর শেরেবাংলা নগর থানাকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। তিন দিন পর মামলাটি গোয়েন্দা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাদের ব্যর্থতার পর মামলাটি র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয় ২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল।

মামলায় গ্রেফতার আটজনের মধ্যে দু’জন জামিন পেয়েছেন, বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।

র‌্যাবের অতিরিক্ত এসপি খন্দকার মো: শফিকুল আলম মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা। ২০১৯ সালের ৭ জুলাই তাকে এই দায়িত্ব দেয়া হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়