শিরোনাম
◈ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না অভিযোগ ফখরুলের ◈ রিজভী-এ্যানিসহ বিএনপির শতাধিক নেতাকর্মী আটক ◈ মানুষের ভাগ্য বদলের জন্য আমরা লড়াই করে যাচ্ছি : প্রধানমন্ত্রী ◈ মিরাজের দুর্দান্ত শতকে টাইগারদের সংগ্রহ ২৭২  লড়াকু পুঁজি ◈ বাকপ্রতিবন্দীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার ◈ নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষ, নিহত১ ◈ ঢাকার রেলস্টেশনে চেকপোস্ট, চলছে পুলিশের তল্লাশি ◈ বিএনপি পল্টনেই কেন সমাবেশ করতে  চায়, খতিয়ে দেখা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ১৪ টি দলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ ইসির ◈ একে একে ৩ শিশুকে ধর্ষণ, ধর্ষককে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী

প্রকাশিত : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০১:৫৬ দুপুর
আপডেট : ০৪ অক্টোবর, ২০২২, ০১:৫৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৩ খুনের ঘটনায় মামলা, আসামি অর্ধশত

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনা নদী বেষ্টিত চর আবদুল্লাহর জনতা বাজার এলাকায় জলদস্যু বাহিনীর হাতে ৩ ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় ৪৯ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদলতে (রামগতি) নিহত কবিরের (৪০) মা বিবি সাহিদা এ মামলা দায়ের করেন।

এতে জলদস্যু বাহিনী প্রধান খোকন ও তার সহযোগী উপজেলার চরগাজী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শেখ ফরিদসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

বাদী বিবি সাহিদা চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নের চর আবদুল্লাহ গ্রামের আবুল হোসেনের স্ত্রী। প্রধান আসামি খোকন নোয়াখালী উপজেলার সুবর্ণচরের ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তার নামে জলদস্যু বাহিনী রয়েছে।

রাতে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন বাদীর আইনজীবী রাসেল মাহমুদ ভূঁইয়া মান্না। তিনি বলেন, মামলাটি আদালতে বিচারক আনোয়ারুল কবির আমলে নিয়েছে।

ঘটনাটি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হত্যার ঘটনা ঘটেছে রামগতির চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নের জনতাবাজার এলাকায়।

পরে ভিকটিমদের মরদেহ হাতিয়া উপজেলার চরঘাসিয়ায় নিয়ে লুকিয়ে রাখে। পরে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন অভিযান চালিয়ে চরঘাষিয়া এলাকা থেকে খুন হওয়া ৩ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করে।

এজাহার সূত্র জানায়, আসামিদের সঙ্গে বাদী সাহিদাদের চর আবদুল্লাহ এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। জলদস্যু বাহিনী খোকন অস্ত্রসহ র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে প্রায় দেড় বছর কারাগারে ছিলেন।

জামিনে বের হয়ে খোকন ও ডাকাত ফরিদ তাদের সহযোগীদের নিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে চরে ফের ত্রাসের রাজত্ব শুরু করে। ঘটনার দিন ২৯ সেপ্টেম্বর ভোরে অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ভিকটিমদের ওপর ঘটনাস্থলে গিয়ে হামলা করে।

এসময় খোকন আগ্নোয়াস্ত্র দিয়ে কবিরের বুকের বাম পাশে গুলি করে। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। একই সময় ডাকাত ফরিদও আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে শাহরাজের (২৮) বুকের বাম পাশে গুলি করে।

এতে তিনিও ঘটনাস্থলে মারা যান। অন্য আসামিদের মধ্যে একজন ভিকটিম নবীর (৩৩) গলার নিচে গুলি করে। তাৎক্ষণিক নবী মাটিতে লুটে পড়ে।

পরে আসামিরা কবির ও শাহরাজের মরদেহসহ আহত নবীকে নিয়ে পাশ্ববর্তী হাতিয়া উপজেলার চরঘাসিয়া এলাকা চলে যায়।

সেখানে কবির ও শাহরাজের মরদেহসহ আহত নবীকে লুকিয়ে রাখে। বিষয়টি জানতে পেরে হাতিয়ার পুলিশ প্রশাসন অভিযান চালিয়ে মরদেহসহ নবীকে উদ্ধার করে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে নবীকেও কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করে। নিহত শাহরাজ চর আবদুল্লাহ গ্রামের আবদুল কাইয়ুমের ছেলে ও নবী একই গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়