শিরোনাম
◈ ভারত থেকে সার্ভারে প্রবেশের অভিযোগ, ডিজিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থা ◈ ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় ধাক্কা, বিশ্বরাজনীতিতে কী প্রভাব পড়বে? ◈ একনেকে ৫৮ হাজার ৮৮ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাস গড়লেন ২৭ বছর বয়সী মুসলিম তরুণী নাবিলা সৈয়দ, হারালেন রিপাবলিকান প্রার্থীকে ◈ ২০২৭ সালের সম্ভাব্য সরকারি ছুটির ২৯ দিনের তালিকা দেখুন ◈ তাহসিফ হত্যা মামলা: দিশার ফের ৩ দিনের রিমান্ড, তদন্তে মিলছে যে নতুন তথ্য ◈ আরও ছয়জনের মৃত্যু হাম উপসর্গে ◈ দুই দিন পরই আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম ◈ শেখ হাসিনার সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী আটক ◈ বৃহস্পতিবার রাত থেকে ২৪ ঘণ্টা বন্ধ থাকতে পারে ডেসকোর প্রি-পেইড মিটার রিচার্জ, প্রযোজ্য যাদের জন্য

প্রকাশিত : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:০০ রাত
আপডেট : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা সীমান্তে এসআরবি-১৫-এর অভিযান : ১১ লাখ ইয়াবাসহ দুই কারবারি আটক

সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের টেকনাফের হ্নীলা সীমান্তে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ লাখ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-১৫। এ সময় তাদের কাছ থেকে দেশীয় তৈরি পাঁচটি বড় রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) মধ্য রাতের দিকে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভী বাজার আঠারো ঘরপাড়া এলাকার সীমান্তসংলগ্ন ধানখেতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন, হ্নীলা ইউনিয়নের নাইখংখালী এলাকার সলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আবছার উদ্দীন (১৯) এবং মৌলভী বাজার এলাকার ছলিম উদ্দীনের ছেলে মো. আদিল (২৬)।

আজ বুধবার দুপুরে এসআরবি-১৫ এর ব্যাটালিয়ন কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি টেকনাফ সিপিসি-১ ক্যাম্পের সদস্যরা জানতে পারেন, একটি সংঘবদ্ধ মাদক কারবারি চক্র হ্নীলা সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান দেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ সিপিসি-১ ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার সোহেল রানার নেতৃত্বে একটি বিশেষ অভিযানিক দল গতকাল মংগলবার গভীর রাতে ঘটনাস্থলে অবস্থান নেয়। পরে সীমান্তবর্তী এলাকায় সন্দেহভাজন ৯ থেকে ১০ জনের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে অভিযান চালানো হয়। এ সময় অভিযানকারী দলের সদস্যরা দুইজনকে আটক করতে সক্ষম হন। তবে অন্যরা পালিয়ে যায় বলে অভিযান সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

Advertisement

অভিযান শেষে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে সর্বমোট ১১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পাচার ও সংশ্লিষ্ট অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছে বলে ধারণা করা পাঁচটি দেশীয় তৈরি বড় রামদা জব্দ করা হয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে কক্সবাজার স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও পরিচালক (ল' অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক জানান  

সীমান্তবর্তী টেকনাফ দীর্ঘদিন ধরে মাদক চোরাচালানের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যরা ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক দেশে পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানে প্রায়ই মাদকের বড় চালান উদ্ধার হচ্ছে।

  • সর্বশেষ