শিরোনাম
◈ বৃহস্পতিবার মোংলা সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ মজুরি বোর্ডের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রেখে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান পোশাকশিল্প মালিকদের ◈ ইসরাইলকে বছরে ৪ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সহায়তা বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের ◈ প্রবীণদের সুস্থ, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি ◈ রোহিঙ্গা গণহত্যার বিচার: ১৯ নভেম্বর আইসিজের ঐতিহাসিক রায় ◈ রাশেদ খাঁনের বক্তব্যের গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কিত অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন রণধীর জয়সওয়াল ◈ আবেদনের চেয়েও ১ কোটি টাকা বেশি: বড়দিনে ৩ কোটি টাকা অনুদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ কারাগারে বসেই আয়, পরিবারের কাছেও টাকা পাঠাচ্ছেন বন্দিরা ◈ দালাল ছাড়াই বিনা খরচে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতালি যাওয়ার সুযোগ ◈ ক্রিকেট থে‌কে অ‌স্ট্রেলিয়ান গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বিদায়

প্রকাশিত : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:১১ রাত
আপডেট : ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, ০২:১১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কিশোরীর সঙ্গে ঝাড়ফুঁকের নামে শারীরিক সম্পর্ক, ব্ল্যাকমেলের অভিযোগে কবিরাজ গ্রেপ্তার

চিকিৎসা নিতে গিয়ে এক কিশোরী পড়েছে ভয়াবহ প্রতারণা ও হয়রানির ফাঁদে। চিকিৎসার নামে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগ উঠেছে এক কথিত কবিরাজের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাইজুল ইসলাম মুসা (৪০) নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৮)।

আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া পৌর শহরের চৌরাস্তাসংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে কলাপাড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার মুসা উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের রাজ্জাক মোল্লার ছেলে। দীর্ঘদিন ধরে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়ায় এলাকায় তিনি ‘মুসা হুজুর’ নামে পরিচিত। এ ঘটনায় গত ৩১ অক্টোবর কিশোরীর সৎ বাবা বাদী হয়ে মুসাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে কলাপাড়া থানায় মামলা করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কিশোরীর সৎ বাবা, তাঁর স্ত্রী ও সৎ মেয়েকে নিয়ে দুই মাস ধরে কলাপাড়া শহরের একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। ওই কিশোরী দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকায় দুই মাস আগে পূর্বপরিচিত এক ব্যক্তির মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য মুসার সঙ্গে যোগাযোগ করেন তাঁরা। এরপর চিকিৎসার কথা বলে মুসা প্রায়ই তাঁদের বাসায় যাতায়াত করতেন। একপর্যায়ে কিশোরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় তাঁর।

Advertisement

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, গত ২ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে কিশোরীর সৎ বাবা বাসায় না থাকার সুযোগে মুসা ১০-১১ জনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি। এ সময় মুসার সঙ্গে যাওয়া ব্যক্তিরা গোপনে সেই মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তী সময়ে আরও কয়েকবার তাঁদের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করা হয়। এ ছাড়া কিশোরীর মায়েরও অন্তরঙ্গ ভিডিও ধারণ করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

একপর্যায়ে কিশোরী মুসাকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে তিনি অস্বীকৃতি জানান। পরে মুসার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বিভিন্ন নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে কিশোরী ও তাঁর মায়ের কাছে ভিডিও পাঠান বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গত ১৫ অক্টোবর মুসাসহ তাঁর সহযোগীরা আবারও ওই বাসায় গিয়ে কিশোরীকে বিয়ে করবেন না বলে জানান। তাঁদের কথামতো না চললে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে আগামীকাল আদালতে পাঠানো হবে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

 

  • সর্বশেষ