শিরোনাম
◈ ইরানের সঙ্গে বড় যুদ্ধের শঙ্কা, গণকবরের প্রস্তুতি মার্কিন বাহিনীর ◈ সৌদি আরবে যৌথভাবে সার কারখানা গড়বে বাংলাদেশ ◈ প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বিশ্বজুড়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে, শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি! ◈ তাহসিফের মৃত্যুর তদন্তে নতুন মোড়, ‘জুনিয়র বন্ধু’ দীপকে নৌ-পুলিশের কাছে হস্তান্তর ◈ হাতিয়ায় হত্যা মামলার আসামিকে ধরতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, ছিনিয়ে নিলেন স্বজনেরা ◈ ৮ ঘণ্টার বৈঠকেও সিদ্ধান্ত হয়নি, এমপি আব্দুল আজিজের বিষয়ে কেন্দ্রে যাচ্ছে নাটোর বিএনপির সুপারিশ ◈ বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ কর্মী নেবে জাপান, সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো খবরের সত্যতা নেই: টোকিও ◈ বিগ-বি নিয়ে জাপানের সঙ্গে আলোচনায় তৃতীয় কোনো দেশ ছিল না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ বিষাক্ত ইনজেকশনের মৃত্যুদণ্ড থেকে বেঁচে ফেরা, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন সেই নারী

প্রকাশিত : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:১৬ সকাল
আপডেট : ৩১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নওগাঁয় ৪২ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে মাটির তৈরি তিনতলা বাড়ি

নওগাঁর পোরশা উপজেলা সদর নিতপুর ইউনিয়নের বাঙ্গালপাড়া গ্রামে মাটির তৈরি তিনতলা একটি বাড়ি প্রায় ৪০-৪২ বছর ধরে টিকে আছে। বালুকামাটি, বাঁশ, তালের তীর ও ছাউনিতে ঢেউটিন ব্যবহার করে নির্মিত ব্যতিক্রমী এই বাড়িটি এখনো সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। আধুনিক নির্মাণসামগ্রীর ব্যবহার ছাড়াই তৈরি বাড়িটি স্থানীয়ভাবে কৌতূহলের বিষয় হয়ে ওঠেছে।

বাড়িটির নির্মাতা প্রয়াত শামসুজ্জোহা। তিনি পোরশা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে সহকারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার দুই ছেলে আতিকুর রহমান সরকার (৩৬) ও ছোট ছেলে বকুল সরকার (২০)। এ ছাড়া তার দুই মেয়ে রয়েছেন। ছয় কক্ষবিশিষ্ট বাড়িটি নির্মাণে সে সময় প্রায় দেড় লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছিল বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।

পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে জানা যায়, বাড়িটি প্রথমে দুইতলা নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে পাশের এক আত্মীয় তাদের বাড়ির চেয়ে উঁচু ভবন নির্মাণ করায় অভিমান থেকে বাড়িটিকে তিনতলায় উন্নীত করেন শামসুজ্জোহা।

বাড়িটির ছোট ছেলে বকুল সরকার বলেন, ‘বাবার কাছে শুনেছি, প্রথমে বাড়িটি দুইতলা ছিল। পরে আমাদের এক আত্মীয় পাশেই আমাদের বাড়ির চেয়ে উঁচু ভবন নির্মাণ করেন। এতে বাবা অভিমান করে বাড়িটির সঙ্গে আরও একটি তলা যুক্ত করে তিনতলা করেন। বাবা জীবিত থাকাকালে এই ছয় কক্ষবিশিষ্ট তিনতলা বাড়িতে বসবাস করতেন।”

Advertisement

বর্তমানে পরিবারের সদস্যসংখ্যা কম হওয়ায় বাড়িটির নিচতলা বেশি ব্যবহার করা হয়। ওপরের দুইতলায় নিয়মিত চলাচল তুলনামূলক কম। তবে প্রায় চার দশক পেরিয়ে গেলেও বাড়িটি এখনো টিকে রয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শামসুজ্জোহা ২০১১ সালে মারা যান। তার স্মৃতি বহন করে দাঁড়িয়ে থাকা বাড়িটি পরিবারের কাছে আবেগ ও ঐতিহ্যের অংশ।

গ্রামবাংলার পুরোনো নির্মাণশৈলীর এমন বাড়ি সচরাচর দেখা যায় না। বাড়িটির নির্মাণকৌশল, ব্যবহৃত উপকরণ ও দীর্ঘস্থায়িত্ব নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা গেলে এটি স্থানীয় ঐতিহ্যবিষয়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন হয়ে উঠতে পারে।

  • সর্বশেষ