সরওয়ার আজম মানিক,কক্সবাজার : প্রশাসনিক শর্তাবলী অমান্য করে কক্সবাজারের মহেশখালী চ্যানেল থেকে রাতের অন্ধকারে অনিয়ন্ত্রিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতার দাপটে পরিবেশ ও স্থানীয় বসতবাড়ি এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে
মহেশখালী চ্যানেলে সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১২ টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাতারবাড়ী বন্দরের ব্যবহার্য রাস্তাঘাট নির্মাণের জন্য ‘টোকিও-এমআইএল-জেভি’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কর্তৃক হামিদারদিয়া ও ঠাকুরতলা মৌজা থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদিত এলাকার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে মহেশখালী চ্যানেল, আদিনাথ পাহাড় এলাকার মোহনা ও বাঁকখালী খালের মোহনা থেকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করছে।
কেবল এলাকাভিত্তিক সীমালঙ্ঘনই নয়, বালু উত্তোলনের কারিগরি নিয়মাবলীও সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সরকারি নীতিমালায় ১৮ ইঞ্চি কাটার দিয়ে বালি কাটার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকলেও নিয়ম ভেঙে ব্যবহার করা হচ্ছে ১২ ইঞ্চি কাটার। এছাড়া সময়ের সীমা অমান্য করে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টার পর বালু কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
জনস্বার্থে মহেশখালী চ্যানেল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. জয়নাল আবেদীন হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন (বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ.এফ.এম. সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে)। শুনানি শেষে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আদালত ভারুয়াখালী মোহনা, বাঁকখালী মোহনা ও মহেশখালী চ্যানেল থেকে ৪ মাসের জন্য ড্রেজিং ও বালু উত্তোলনে স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে আদালতের এই নির্দেশ যথাযথভাবে পালনে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়টির ওপর ২ সপ্তাহের স্থগিত আদেশ দিয়ে ২ সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির আদেশ প্রদান করেন।
সচেতন মহল মনে করছেন পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া এভাবে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে স্থানীয় ইকোসিস্টেমে ভয়াবহ বিপর্যয় নামবে। এতে স্থানীয় ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ার পাশাপাশি বিখ্যাত মহেশখালী পাহাড় ধসের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
জনস্বার্থে অনতিবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে উচ্চপর্যায়ের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মহেশখালী বাসী।
প্রশাসনিক শর্তাবলী অমান্য করে কক্সবাজারের মহেশখালী চ্যানেল থেকে রাতের অন্ধকারে অনিয়ন্ত্রিত ও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতার দাপটে পরিবেশ ও স্থানীয় বসতবাড়ি এখন চরম হুমকির মুখে পড়েছে।
গতকাল ১৫ অক্টোবর রাত ১১ টায় মহেশখালী চ্যানেলে সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ১০ থেকে ১২ টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে রাতের আঁধারে বালু উত্তোলন অব্যাহত রেখেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, মাতারবাড়ী বন্দরের ব্যবহার্য রাস্তাঘাট নির্মাণের জন্য ‘টোকিও-এমআইএল-জেভি’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কর্তৃক হামিদারদিয়া ও ঠাকুরতলা মৌজা থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদিত এলাকার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ অবৈধভাবে মহেশখালী চ্যানেল, আদিনাথ পাহাড় এলাকার মোহনা ও বাঁকখালী খালের মোহনা থেকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বালু উত্তোলন করছে।
কেবল এলাকাভিত্তিক সীমালঙ্ঘনই নয়, বালু উত্তোলনের কারিগরি নিয়মাবলীও সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে সরকারি নীতিমালায় ১৮ ইঞ্চি কাটার দিয়ে বালি কাটার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকলেও নিয়ম ভেঙে ব্যবহার করা হচ্ছে ১২ ইঞ্চি কাটার। এছাড়া সময়ের সীমা অমান্য করে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টার পর বালু কাটা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
জনস্বার্থে মহেশখালী চ্যানেল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মো. জয়নাল আবেদীন হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন (বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ.এফ.এম. সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে)। শুনানি শেষে গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে আদালত ভারুয়াখালী মোহনা, বাঁকখালী মোহনা ও মহেশখালী চ্যানেল থেকে ৪ মাসের জন্য ড্রেজিং ও বালু উত্তোলনে স্থগিতাদেশ প্রদান করেন। একই সঙ্গে আদালতের এই নির্দেশ যথাযথভাবে পালনে কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়টির ওপর ২ সপ্তাহের স্থগিত আদেশ দিয়ে ২ সপ্তাহের মধ্যে রুল নিষ্পত্তির আদেশ প্রদান করেন।
সচেতন মহল মনে করছেন পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া এভাবে অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে স্থানীয় ইকোসিস্টেমে ভয়াবহ বিপর্যয় নামবে। এতে স্থানীয় ঘরবাড়ি বিলীন হওয়ার পাশাপাশি বিখ্যাত মহেশখালী পাহাড় ধসের মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
জনস্বার্থে অনতিবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে উচ্চপর্যায়ের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মহেশখালী বাসী।