শিরোনাম
◈ সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তার যে ৫ কারণে রিমান্ড চাওয়া হয় ◈ বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর শান্তিতে আছি, প্রধানমন্ত্রীকে বললেন হিন্দু নেতারা ◈ ডি মারিয়ার জোড়া গোল, রোসারিওর সহজ জয় ◈ আফগা‌নিস্তা‌নের বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ইনিংস ঘোষণা, লিটনের সেঞ্চুরি, জয় দেখ‌ছে টাইগাররা ◈ ২৫ বছরের ক্ষমতার পর মোদির সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ ◈ মিষ্টির পদত্যাগে শূন্য হওয়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন দৌড়ে আলোচনায় ১০ নেত্রী ◈ মেয়ের নিখোঁজে বাবা-মায়ের উদ্বেগহীনতা সমাজের গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ◈ রিয়াদে ফ্লাইট বন্ধ, বিকল্প হিসেবে দাম্মাম ও মদিনায় পাঠানো হবে যাত্রীদের: বিমানমন্ত্রী ◈ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: ভারতের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর চেয়েও বেশি আয় যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রদের ◈ যে কারণে সারা দেশে এলপিজি গ্যাসের দোকান বন্ধ ঘোষণা

প্রকাশিত : ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৩১ রাত
আপডেট : ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ০৮:৩১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আদমদীঘিতে গর্ভকালীন সেবা কার্ড প্রদানে টাকা নেয়ার অভিযোগ

আবু মুত্তালিব মতি, আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় গর্ভকালীন সেবাকার্ড প্রদানের নামে প্রতি জনের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে কর্মরত নূরুল হুদার বিরুদ্ধে। গত রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখা অফিসে এ ঘটনায় এলাকাল তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে , আদমদীঘি উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় অতিরিক্ত দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী নূরুল হুদা গর্ভকালীন সেবা গ্রহণকারীর নিকট থেকে ২০০ টাকা করে গ্রহণ করেন। ঘটনাস্থলে ভুক্তভোগীদের তথ্য মোতাবেক হাতে নাতে ধরা পড়ে সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্বরত হিসাবে কর্মরত নূরুল হুদা। উক্ত নূরুল হুদা আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষারিক পদে কর্মরত তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী। ওই বিভাগের মেডিকেল অফিসার ছাড়া কিভাবে একজন তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী সেবাকার্ডে সিল সহি প্রদান করেন এ নিয়ে ঘটনাস্থলে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এমনকি তার ব্যবহৃত সিলে লক্ষ্য করা যায় তিনি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হিসাবে অতিরিক্ত পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি এ সময় বহিরাগত বায়োফার্মার প্রতিনিধি জনৈক রাজু আহম্মেদকে দিয়ে কার্ড লিখে নেয়।

এব্যাপারে কার্ড গ্রহণ করতে আসা লুৎফুন নেছা জানান, কার্ড নেয়ার সময় এর আগে কখনো টাকা গ্রহণ করা না হলেও এখন টাকা ছাড়া কার্ড দিচ্ছেন না এবং তিনি টাকার কথা বাহিরে কাউকে বলতে নিষেধ করেছেন। এদিকে ওই শাখায় কর্মরত মেডিকেল অফিসার ডা: মাহবুব রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত রয়েছি। আদমদীঘিতে সপ্তাহে একদিন মঙ্গলবারে যাই। আমার অফিস স্টাফকে সেবাকার্ড প্রদানে অনুমতি দিয়েছি। কিন্তু তারা প্রতিজনের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে নিয়েছে তা ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। তবে ঘটনা সত্য হলে আমি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

এ ঘটনায় হাসপাতালের পঃপঃ কর্মকর্তা ডা: ফজলে রাব্বী বলেন, আদমদীঘি হাসপাতাল হলেও পরিবার পরিকল্পনা শাখা আমার তত্ত্বাবধানের বাহিরে। এব্যাপারে অমার বলার কিছু নেই।

  • সর্বশেষ