শিরোনাম
◈ হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৫২ ◈ শাহজালালে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে ◈ ‘ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না’—শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ত্রিবেদী ◈ বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আসছে : আইনমন্ত্রী ◈ সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগের অধিকার, কার্যকর নতুন আইন ◈ মিরপুর ১০ নম্বর মোড়ে ফুটপাত দখলমুক্ত, স্বস্তিতে পথচারী (ভিডিও) ◈ তুরস্ককে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম, ডি ব্রুইনার জোড়া গোল ◈ ২০৩০ সালে একই বছরে যে কারণে দুবার রমজান, ৩৬ দিন রোজা রাখবেন মুসলিমরা ◈ ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ’ আওয়ামী লীগের সঙ্গে জামায়াতের সমঝোতা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা গুঞ্জন! ◈ বিদেশযাত্রায় ভিসা বাণিজ্য: সরকারি খরচের চেয়ে ৪২ হাজার কোটি টাকা বেশি ব্যয়ে বিদেশে যাচ্ছেন কর্মীরা!

প্রকাশিত : ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:২৩ দুপুর
আপডেট : ০৩ অক্টোবর, ২০২৬, ০২:৪৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুমিল্লার আলোচিত কিশোর গ্যাং নেতা রতনসহ আটক ৩৬৩

কুমিল্লার আলোচিত কিশোর গ্যাং নেতা ইমরান হোসেন ওরফে রতনসহ (২৫) এক রাতে ৩৬৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ও গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) একযোগে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সকালে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মিডিয়া বিভাগের মুখপাত্র মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

এর আগে কুমিল্লা মহানগরীসহ জেলার ১৮টি থানায় তিন দফা অভিযান চালিয়ে ১৬৭৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

রতন কুমিল্লা নগরীর ছোটরা এলাকার মফিজাবাদ কলোনীর আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি মহানগরীর অন্যতম শীর্ষ কিশোর গ্যাং ‘রতন গ্রুপ’ বা ‘আর স্কোয়াড’র প্রধান।

advertisement

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, শুক্রবার (২ অক্টোবর) মাগরিবের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কিশোর গ্যাং সন্দেহে জেলার বিভিন্ন থানায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান বলেন, অভিযানে কুমিল্লা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে এবং প্রত্যেকটি থানা এলাকার বিভিন্ন স্থানে, যেখানে কিশোর বয়সি বখাটেদের উৎপাত রয়েছে সেসব স্থানে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে রতনসহ মোট ৩৬৩ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের অপরাধের সম্পৃক্ততা যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উঠতি বয়সি কিশোররা যেন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত হতে না পারে সেজন্য জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে নিয়মিতই এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো নিরপরাধ মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হয়, এ বিষয়ে কঠোর মনিটরিং করা হচ্ছে।

এই অভিযানে পুলিশ সুপারসহ পুলিশের সব ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লুৎফর রহমান। তিনি আরও বলেন, এখনো অভিযান চলছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত পরে জানানো হবে। 

  • সর্বশেষ