শিরোনাম
◈ লাল কার্ড পে‌লেন ওলিস, ৬ গোলের রোমাঞ্চে বায়ার্ন মিউনিখ‌কে রুখে দিলো ভাইকিং ◈ রাশিয়া, কানাডা ও সৌদি আরব থেকে ৯৬৯ কোটি টাকার সার কিনবে সরকার ◈ টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় ভয়াবহ আগুন, ২১ ইউনিটের ৪ ঘন্টার চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে ◈ ওমান প্রবাসীদের জন্য জরুরি খবর! ◈ বাংলাদেশে ই-বর্জ্য থেকে বছরে ৫০ কোটি ডলারের সম্পদ উদ্ধারের সুযোগ, ঝুঁকিতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ◈ চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লিগ, ম‌্যান‌চেস্টার ইউনাইটেড‌কে হারা‌লো অ‌্যাত‌লে‌তি‌কো মা‌দ্রিদ ◈ ময়মনসিংহে স্কুলে শিক্ষক–শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল, পরে যা জানা গেল ◈ ফরিদপুর মেডিকেলে প্রায় সাড়ে ২৩ কোটি টাকার সরকারি অর্থের অপচয়! ◈ ইয়ে‌মে‌নের নি‌র্দেশ, সৌদি আরবের আরামকো স্থাপনা খালি করো, রিয়াদে পাল্টা হামলা চালা‌নো হ‌বে ◈ বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার চাপে দেশের পোশাকশিল্প: প্রবৃদ্ধির আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি

প্রকাশিত : ২৮ জুলাই, ২০২৬, ০৭:২৯ বিকাল
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মামলার দৃশ্যমান বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় অঝোরে কাঁদেন শহীদ মাহবুবের মা

তপু সরকার হারুন, শেরপুরঃ দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার দৃশ্যমান বিচার কার্যক্রম শেষ না হওয়ায় এবং চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি দেওয়ায় পরিবারটির ক্ষোভ ও হতাশা কাটেনি।

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট শেরপুর শহরের খরমপুর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বহনকারী দ্রুতগতির গাড়ির চাপায় নিহত হন মাহবুব আলম।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে উত্তাল ছিল শেরপুরের খরমপুর এলাকা। সেদিন জেলা প্রশাসনের তৎকালীন এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে বহনকারী দ্রুতগতির গাড়ি পিষে দিয়ে যায় শিক্ষার্থী মাহবুব আলমকে।

ঘটনাস্থলেই নিভে যায় একটি তাজা প্রাণ। ​নির্মম সেই হত্যাকাণ্ডের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত বিচার মেলেনি মাহবুবের পরিবারের। অভিযোগ উঠেছে, আইনি গ্যাঁড়াকল আর ‘দায়সারা’ চার্জশিটের বেড়াজালে আটকে আছে শহীদ মাহবুবের রক্তের ঋণ।

Advertisement

​ধুলো জমেছে বইয়ে, চোখে জমেছে জল ​হত্যাকাণ্ডের দুই বছর পার হলেও শেরপুরের পাকুড়িয়া ইউনিয়নের চৈতনখিলা গ্রামের শহীদ মাহবুবের বাড়িতে থামেনি শোকের মাতম। ঘরের এক কোণে মাহবুবের পড়ার টেবিল ও বইপত্রগুলো আজ ধুলোবালি মাখা অবস্থায় পড়ে রয়েছে। একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে পাগলপ্রায় মা মোছা. মাফুজা খাতুন এখনো ছেলের ছবি বুকে জড়িয়ে অঝোরে কেঁদে চলেন।

​কান্নাজড়িত কণ্ঠে মাফুজা খাতুন বলেন, সেদিন আমার ছেলে শহরের কলেজ মোড় এলাকায় আইটি সেন্টারে ক্লাস নেওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়।

সেখানে গিয়ে আন্দোলনে যোগ দিয়ে মিছিলে সামিল হয় সে। মিছিল চলাকালে ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি এসে তাকে সজোরে ধাক্কা দেয় এবং ঘটনাস্থলেই ও মারা যায়। আমি বাড়ি থেকে খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে দেখি ট্রলিতে পড়ে আছে আমার বাবার লাশ। যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক কঠিন শাস্তি চাই।

পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের দায়িত্বজ্ঞানহীন চার্জশিট ও নানা আইনি জটিলতার কারণে অপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া ঝুলে আছে। স্বজনদের আকুল দাবি—অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

​মামলার বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে শেরপুর জেলা পুলিশ সুপার এ, কে, এম জহিরুল ইসলাম জানান, মাহবুব আলম হত্যা মামলায় মোট ১৫০ জন এজাহারনামীয় আসামি রয়েছে। যার মধ্যে ইতিমধ্যে ২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং বাকিদের আইনের আওতায় আনতে জোর তৎপরতা চলছে। বিষয়টি বর্তমানে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অধিকতর তদন্ত করে দেখছে।

  • সর্বশেষ