শিরোনাম
◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়? ◈ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস, ওঠা যাবে যেসব স্টেশন থেকে ◈ ওয়ান‌ডে সি‌রি‌জে অ‌স্ট্রেলিয়ার কা‌ছে হোয়াইট ওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল  ◈ দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, বাড়বে সাইবার অপরাধ দমনের সক্ষমতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ভারতের আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা: নেহা বোরা (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বড় পরিবর্তন, মেয়াদ শেষ হলেই বন্ধ কাজের সুযোগ ◈ আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন ◈ রাজধানীর ধানমন্ডিতে বয়স্ককে মারধরের ভিডিও ভাইরাল, নেপথ্যে যে ঘটনা জানাগেল

প্রকাশিত : ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:৩০ দুপুর
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হ্রদের পানি স্বাভাবিক, ৫ দিন পর বন্ধ করা হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি জলকপাট

বন্ধ করা হয়েছে রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট। বুধবার রাত ১১টায় কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জলকপাটর বন্ধ করে কর্ণফুলী নদীতে পানি নিষ্কাশনও বন্ধ করা হয়। 

টানা ৫ দিন ধরে রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৬টি জলকপাটের মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান। 

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে সূত্রে জানা যায়, অতিবৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলের কারণে রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদের পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে যায়। কাপ্তাই হ্রদের পানি নিয়ন্ত্রণ ও জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বাধের ভারসাম্য রক্ষা করতে কর্ণফুলী নদীতে পানি ছেড়ে দেওয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

গত শনিবার বেলা ১১টায় রাঙামাটি কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ১৬টি জলকমাট ৬ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হয়। এরপর টানা ৫দিন ৯০০০ কিউসেক পানি চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়। একই সাথে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৫টি ইউনিটে পুরোদমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়।

কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রকৌশলী মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, রাঙামাটি কাপ্তাই হ্রদে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের রুলকার্ভ অনুযায়ী বর্তমানে পানির স্তর ১০৩.৩১ ফুট বা এমএসএল। যা স্বাভাবিক বলা চলে। তবে যদি ১০৯.০০ ফুট বা এমএসএল হয়। তাহলে বিপৎসীমা অতিক্রম করবে হ্রদের পানি। তাই হ্রদের পানির স্তর স্বাভাবিক রাখতে কিছু পানি প্রতিবছর কর্ণফুলী নদীতে ছেড়ে দেওয়া হয়।  তিনি আরও বলেন,পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিট চালু থাকায় প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি এমনিতে নিষ্কাশিত হচ্ছে। আর বিদ্যুৎ উৎপাদিত ২২২ মেগাওয়াট। এ বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরাসরি যুক্ত হচ্ছে।

  • সর্বশেষ