শিরোনাম
◈ এভিয়েশন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী ইতালি, বাংলাদেশে গড়তে চায় এমআরও হাব ◈ রাশিয়ার পর বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুৎ খাতে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের নজর ◈ বুক কাঁপছে আতঙ্কে, তবু থামছে না জীবিকার লড়াই : জীবিকার টানে সৌদি ফিরছেন প্রবাসীরা ◈ রাত গভীর হলেই বাড়ে বিদ্যুতের চাহিদা, ৩ হাজার মেগাওয়াট যাচ্ছে কোথায়? ◈ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে নতুন ট্রেন মহানগর এক্সপ্রেস, ওঠা যাবে যেসব স্টেশন থেকে ◈ ওয়ান‌ডে সি‌রি‌জে অ‌স্ট্রেলিয়ার কা‌ছে হোয়াইট ওয়াশ বাংলাদেশ নারী দল  ◈ দেশের আট বিভাগে হচ্ছে ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব, বাড়বে সাইবার অপরাধ দমনের সক্ষমতা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ভারতের আন্দোলনে পথ দেখিয়েছে বাংলাদেশের তরুণরা: নেহা বোরা (ভিডিও) ◈ যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে বড় পরিবর্তন, মেয়াদ শেষ হলেই বন্ধ কাজের সুযোগ ◈ আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন

প্রকাশিত : ২০ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৫৮ বিকাল
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাঁদপুর সদর হাসপাতালে শিশু রোগী বৃদ্ধি, বেগ পেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষের

মিজান লিটন : আবহাওয়া পরিবর্তন ও পানি বৃদ্ধি কারণে সারা দেশের ন্যায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল (সদর) হাসপাতালে শিশু রোগীর চাপ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।সরে জমিনে দেখা যায়,গত কয়েকদিন ধরে জ্বর, সর্দি, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া,হাম এবং শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়ে প্রতিদিন শতাধিক শিশু ভর্তি হচ্ছে,এদের মধ্যে বেশিরভাগই চরাঞ্চল থেকে আসা।

ফলে শয্যা সংকটের কারণে অনেককে মেঝে ও বারান্দায় চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।শিশুর বর্তমান উপসর্গগুলো (যেমন: জ্বর, পাতলা পায়খানা,হাম,এলার্জি, শ্বাসকষ্ট বা ত্বকে র‍্যাশ এসকল রোগী বেশী ভর্তি হচ্ছে।

শয্যা সংকটে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন নার্স-চিকিৎসকরা। হাসপাতালের তৃতীয় তলার শিশু বিভাগে প্রচুর রোগী ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতালের দায়িত্বরত নার্সরা জানান, এসব রোগীদের মধ্যে জ্বর, সর্দি, ঠান্ডাজনিত শ্বাসকষ্ট, হাম ও নিউমোনিয়া রোগীর সংখ্যা বেশি। ফলে রোগীদের বাড়তি চাপ বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে। বেড সংকটে হাসপাতালের করিডোর এবং বারান্দার মেঝেতে বিছানা পেতে সেবা নিচ্ছেন রোগীরা। ফলে সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে নার্স ও চিকিৎসকদের।

এক স্বজন বলেন, তিনদিন ধরে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে তিনি রয়েছে তার শিশু সন্তানকে নিয়ে।আমার মেয়ের ঠাণ্ডা ও খিঁচুনি। সিট না পাওয়ায় বারান্দার মেজেতে সিট দিয়েছে।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম মাহবুবুর রহমান বলেন,বৈরী আবহাওয়া ও পানি বৃদ্ধির কারণে কারণে প্রতিবারই এ সময়টাতে  শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ বেশী হয়। তাই এ সময়টাতে তাদের প্রতি বাড়তি নজরদারি রাখতে হবে। হাসপাতালে আসা রোগীদের চিকিৎসা,ওষুধ ও বেড নিশ্চিত করা হচ্ছে, যাতে তাদের কোন প্রকারের অসুবিধা না হয়। আমরা সেই দিকটি নজরদারিতে রেখেছি।

  • সর্বশেষ