সরওয়ার আজম মানিক, কক্সবাজার : কক্সবাজারের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি উন্নতির দিকে হলেও আবারো নতুন করে লঘু চাপের কারণে সতর্ক সংকেত দেওয়ায় শংকিত হয়ে পড়েছেন বন্যা কবলিত এলাকার মানুষগুলো।
অনেক এলাকায় এখনো মানুষ পানি বন্দী আছে মানুষ। ধীরগতিতে নামছে পানি। মানুষের বাড়ি ঘর থেকে পানি বের হয়ে গেলেও নিচু এলাকার বাড়িঘরের উঠোনে ও আশপাশে পানি জমে আছে এখনো। পর্যাপ্ত ত্রাণ না পাওয়ার কথা বলছেন বানভাসি মানুষগুলো। বন্যার কারণে বাড়িঘর ভেঙ্গে ও ডুবে যাওয়ায় সমস্যার কথা জানান কয়েকজন বানবাসী মানুষ। বৃষ্টি কমে আসলেও দুর্ভোগ কমেনি মানুষের। বিশেষ করে চকরিয়া পেকুয়া এলাকার অনেক নিচু এলাকায় এখনো পানি রয়ে গেছে। ওইসব এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির চরম সংকট রয়েছে।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান জানিয়েছেন বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার উপর দিয়ে ঝড় হওয়া বয়ে যেতে পারে।চট্টগ্রাম কক্সবাজার মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে বন্যা কবলিত এলাকায় ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল মান্নান জানান,সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ত্রাণের ব্যবস্থা রয়েছে।