শিরোনাম
◈ দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার এবং সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে যা বললেন হরিদাস ◈ সাইবার সুরক্ষা আইনে কী কী পরিবর্তন এলো? ◈ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগে রাত ১০টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা ◈ সৌদির নীরবতা কি নতুন মধ্যপ্রাচ্যের ইঙ্গিত? ◈ এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠু করতে সরকারের ৫ উদ্যোগ: মাহদী আমিন ◈ সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আসছে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ : সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ভোটকেন্দ্র নির্ধারণ শুরু, ২৭ আগস্ট প্রকাশ হবে চূড়ান্ত তালিকা ◈ হামের উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ৫ জনের, মোট মৃত্যু ৭৭১ ◈ তামিমকে আইসিসির আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি, মিলল শীর্ষ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব ◈ মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের তালিকা করতে রাজনীতি আনা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২৬, ০৭:২৮ বিকাল
আপডেট : ১৫ জুলাই, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মোরেলগঞ্জে দীর্ঘ ২০ বছরেও চালু হয়নি পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী কলারন ফেরিঘাট! ঝুঁকি নিয়ে পার হচ্ছে হাজার হাজার যাত্রী

এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার বাগেরহাট : দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের বিশ্বের সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল মৎস্যভান্ডার নামে খ্যাতবিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনের উপকূলের বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী-কলারনফেরিঘাট দীর্ঘ ২০ বছর ধরে বন্ধ হয়ে আছে। বারবার আশ্বাস দিয়েও শুরু হয়নি ফেরি চলাচল। ফলে ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন নদী পারাপার হচ্ছে এই রুটে চলাচলকারী হাজার হাজার যাত্রী।

সরেজমিন ঘুরে জানা যায়, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার সংলগ্ন পানগুচি নদীতে সন্ন্যাসী- কলারন ফেরি ঘাটটি ২০০৬ সালের ৪ আগস্ট চালু হয়। চালুর এক বছর পর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় সিডরে কলারন প্রান্তের ঘাটটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বন্ধ হয়ে যায় ফেরি চলাচল। এরপর প্রায় ২০ বছর কেটে গেলেও চালু করা হয়নি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ-মোংলা-শরণখোলা -পিরোজপুর রুটের ইন্দুরকানীরকলারনএই ফেরি ঘাটটি। ফলে ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হচ্ছেন এই রুটে চলাচলকারী যাত্রী সাধারণ। দুপাড়ের যাত্রী উঠানামার ঘাটটিও রয়েছে জরাজীর্ণ অবস্থায়। যাত্রীরা কোনোমতে উঠানামা করতে পারলেও মোটর সাইকেল উঠানামার ক্ষেত্রে থাকে প্রচুর ঝুঁকি। দুপাড়ের ঘাটের অবস্থা ভালো না থাকায় অনেক সময় নদীতে পড়ে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয় যাত্রী সাধারণকে।

সন্ন্যাসীর ওপরের যাত্রীদের ট্রলারে করে নদী পাড় হয়ে কলারন ঘাট থেকে বাসে উঠে পিরোজপুর জেলা শহর এবং রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়।

এ আসনের সংসদ সদস্যের ডিউলেটার এবং অনেক দিন ধরে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের চিঠি চালাচালিতেও কোনো কাজ না হওয়ায় ফেরি ঘাটটি অদ্যবধি চালু হচ্ছে না।

স্থানীয় সন্ন্যাসীর বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, 'নদীটি পার হতে ট্রলারই আমাদের একমাত্র ভরসা। তা আবার বর্ষা মৌসুমের বৈরী আবহাওয়ায় প্রায়ই বন্ধ থাকে। বর্ষার সময় নদীতে বেশি ঢেউ থাকায় ট্রলারে করে নারী ও শিশুদের নিয়ে নদী পারাপার অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। বারবার আশ্বাসের পরও অজানা কারণে চালু হয়নি ফেরি চলাচল। ফলে, অসুস্থ রোগী ও শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন। আমাদের দাবি হাজারো মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে আবারও কলারন সন্ন্যাসীর ফেরি চালু করা হোক।'

সাংবাদিক অমল তালুকদার, সাংবাদিক ডা: নাসির উদ্দীন জোমাদ্দার বলেন, 'প্রায়ই এই ঘাট থেকে যাতায়াত করি। সব সময় ট্রলার না থাকার কারণে আমাদের অনেক সময়ই ভোগান্তিতে পড়তে হয়। স্থানীয় বাসিন্দা আলামিন বলেন, এই ঘাটটি আমাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এখানে ফেরি না থাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নারী শিশুদের নিয়ে পারাপারে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

বাগেরহাট রিপোর্টার্স ইউনিটি সভাপতি এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির বলেন, এ ফেরিঘাটটি পুনরায় চালু হলে মোরেলগঞ্জ উপজেলার সাথে সন্ন্যাসী ইন্দুরকানীর কলারন,পিরোজপুর, শরনখোলা, সুন্দরবন, মোরেলগঞ্জ ও মোংলার সাথে সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেকটা সহজ হবে। এর ফলে ব্যবসা বাণিজ্যেরও একটা নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।'

পিরোজপুর সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, 'পানগুছি নদীর সন্ন্যাসী-কলারন ঘাটটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আমরা চেষ্টা করছি ফেরি ঘাটটি পুনরায় চালু করার জন্য।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়