শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি: রয়টার্সকে প্রেস সচিব ◈ ইতালির তৃতীয় বিভাগ ক্লাব রাভেনা এফসির অংশীদার হলেন রোনালদিনহো ◈ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ◈ ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুলের শপথ আজ: বঙ্গভবনে অতিথিদের ভিড়, জোরদার নিরাপত্তা ◈ ইউরোপে অনিয়মিত অভিবাসন কঠিন, ঝুঁকিতে বাংলাদেশি তরুণদের স্বপ্ন ◈ বিমান থেকে সরানো হচ্ছে আফরোজাকে, পাচ্ছেন যে মন্ত্রণালয় ◈ সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক সামরিক জোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদান নিয়ে যা বলছে ভারত ◈ রাজস্থানে ককরোচ পার্টির ওপর হামলা, বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ◈ তারেক রহমানের সফরের প্রস্তুতির খবর দিয়ে আবার প্রত্যাহার করল ভারত ◈ মন্ত্রিসভায় যুক্ত হচ্ছেন আরও চারজন, শপথ আজ সন্ধ্যায়

প্রকাশিত : ০৩ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৫৮ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ড্রাগন ফলের রাজধানী মহেশপুরের গৌরীনাথপুরে প্রতিদিন বিক্রি কোটি

ফিরোজ আহম্মেদ, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার গৌরীনাথপুর বাজার এখন দেশের অন্যতম বৃহৎ ড্রাগন ফলের পাইকারি বিপণনকেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ‘ড্রাগনের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত এ বাজারে মৌসুমজুড়ে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে জমজমাট বেচাকেনা। জেলার পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কৃষকদের উৎপাদিত ড্রাগন ফল বিক্রি হয় এই বাজারে। বর্তমানে প্রতিদিন কয়েক কোটি টাকার ফল বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে বড় বাজার গড়ে ওঠায় ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন কৃষক।

সরেজমিনে গৌরীনাথপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারজুড়ে সারি সারি আড়তে লাল, গোলাপি ও হলুদ রঙের ড্রাগন ফলের স্তূপ। ভোর থেকেই কৃষকেরা ভ্যান, পিকআপ ও ট্রাকযোগে ফল নিয়ে আসছেন। আড়তগুলোতে চলছে বাছাই, ওজন ও প্যাকেটজাত করার ব্যস্ততা। এরপর দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাকযোগে পাঠানো হচ্ছে এসব ফল।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে বাজারে প্রায় ১০০টি আড়তে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার ড্রাগন ফল কেনাবেচা হচ্ছে। এখান থেকে ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ফল সরবরাহ করা হয়।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল হক বলেন, আগে ড্রাগন ফল বিক্রির জন্য দূরের বাজারে যেতে হতো। এখন গৌরীনাথপুরেই বড় বাজার হওয়ায় পরিবহন খরচ কমেছে এবং ন্যায্যমূল্যও পাচ্ছি।

আরেক কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, ড্রাগন চাষে খরচ তুলনামূলক কম, লাভও ভালো। বাজারে ক্রেতার অভাব নেই। তাই প্রতিবছরই বাগানের পরিধি বাড়াচ্ছি।

আড়তদার সাইদুর রহমান বলেন, মৌসুমের সময় প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ ড্রাগন ফল বাজারে আসে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এখানে এসে সরাসরি ফল কিনে নিয়ে যান। কৃষকও ভালো দাম পান, আমরাও ব্যবসা করতে পারছি।

পাইকারি ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম বলেন, গৌরীনাথপুরের ড্রাগনের মান ভালো হওয়ায় দেশের বাজারে এর চাহিদা অনেক বেশি। প্রতিদিন কয়েকটি ট্রাক ভর্তি ফল বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন সুলতানা বলেন, ড্রাগন ফলের নিরাপদ উৎপাদন নিশ্চিত করতে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কোনো ধরনের ক্ষতিকর রাসায়নিকের অপব্যবহার যেন না হয়, সে বিষয়ে আমরা সার্বক্ষণিক নজরদারি করছি। পাশাপাশি গৌরীনাথপুর বাজারের সুষ্ঠু বিপণন ব্যবস্থাপনা এবং কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতেও কৃষি বিভাগ কাজ করে যাচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়