শিরোনাম
◈ বিরোধী দল সেই সংস্কারের কথা বলে, যে সংস্কার তাদের ক্ষমতার ভাগ দেবে : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় সমঝোতা কি ভেস্তে যাবে ◈ জিম্বাবুয়ে গে‌লো বাংলা‌দেশ ক্রিকেট দল  ◈ তারেকের মালয়েশিয়া সফরের ভূ-রাজনৈতিক তাৎপর্য ◈ আদানির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রত্যাহারে মার্কিন আদালতের আপত্তি ◈ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজে প্রধানমন্ত্রী, দিলেন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ◈ দেশে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছি, চলতি বছরই ফিরব: ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে দেশে ফেরার বার্তা দিলেন শেখ হাসিনা ◈ ঢাকায় নতুন কমিশনার, কুমিল্লা-সিলেটে নতুন ডিসি ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মুগদা হাসপাতালকে ৫০০ শয্যা থেকে ১ হাজার শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : হাবিবুর রশীদ ◈ ২০১৬ সালে ভারতের নোট বাতিলের উদ্যোগের মতোই বাংলাদেশেও ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব সংসদে!

প্রকাশিত : ২৮ জুন, ২০২৬, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট : ২৮ জুন, ২০২৬, ০৯:২৫ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নৌকা চালিয়ে শিক্ষকদের বেতন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয়করণ হচ্ছে তিন্দু বিদ্যালয়

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এর আগে এ বিষয়ে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বাজেট আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান বলেন, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেন যে, এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন তার সহকর্মীদের বেতন জোগাতে নৌকা চালান। শুধু মার্চ-এপ্রিল মাসে নৌকা চালিয়ে আয় করেছেন ৪৯ হাজার টাকা। যার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছেন সহকর্মীদের বেতন বাবদ। যেখানে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে একটি স্কুল টিকিয়ে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ সেখানে প্রধান শিক্ষক অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার গল্প। বিষয়টি নজরে আসার পর রাতেই প্রধানমন্ত্রী স্কুলটি জাতীয়করণের জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেন।

বাজেট বক্তব্যের এক পর্যায়ে শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি নির্দেশ পাঠিয়েছেন, সেই থানচির তিন্দু এলাকার সেই স্কুলটিকে যেন জাতীয়করণ করা হয়। আজকে মহান সংসদে এ স্লিপটি পাঠিয়েছেন। আমি জানাতে চাই, স্কুলটি জাতীয়করণ করা হবে শিগগিরই।

২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়। বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী পড়লেও অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র হওয়ায় নিয়মিত বেতন দিতে পারেন না। ফলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন চালানো হয়ে পড়ে কঠিন। এই সংকট মোকাবিলায় ছুটির দিনগুলোতে প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন নিজেই ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালান থানচি-তিন্দু–-রেমাক্রী নদীপথে। পর্যটক ও যাত্রী পরিবহন করে যা আয় হয়, তার বড় অংশই চলে যায় শিক্ষকদের বেতনে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়