শিরোনাম
◈ বিমানবন্দরে স্যুটকেসে শ্যাম্পু-ক্রিমের বোতলে মিলল ৯২টি জীবিত সাপ-টিকটিকি, মেক্সিকান নাগরিক আটক ◈ তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আগ্রহ দেখাল নেদারল্যান্ডস, চীনের পর নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশের সামনে ◈ আমিরাতে সক্রিয় ছিল ইরানি ‘স্লিপার সেল’, নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের তথ্য প্রকাশ! ◈ 'ইরান কখনও যুদ্ধ চায় না, তবে যেকোনো আগ্রাসনের কঠোর জবাব দি‌তে প্রস্তুত' ◈ নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের যে কারণে ৭০ শতাংশ ভিসা বাতিল ◈ বাংলাদেশের মতো ক্ষমতার পালাবদল চায় কংগ্রেস, বিস্ফোরক অভিযোগ রাজনাথ সিংয়ের ◈ মোটরসাইকেলের সামনেও নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক, ১৫ নভেম্বরের মধ্যে লাগানোর নির্দেশ বিআরটিএর ◈ রাশিয়ার কামচাতকায় ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির শঙ্কা নেই ◈ বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে থমকে যাচ্ছে ঢাকার অগ্রগতি ◈ পাকিস্তান, ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কা‌কে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ ১৮ অ‌ক্টোবর শুরু 

প্রকাশিত : ১০ মে, ২০২৬, ১২:৪০ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

১৩ লাখ টাকার লোভে স্বামীকে হত্যা, নিখোঁজের এক মাস পর ঘরের মাটি খুঁড়ে মিলল যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ

আজিজুল হক, বেনাপোল: যশোরের শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামে স্ত্রী ও তার সহযোগীদের হাতে খুন হয়েছেন ইকরামুল কবির (২৫) নামে এক যুবক। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় এক মাস পর শনিবার রাতে পুলিশ মাটি খুঁড়ে তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহত ইকরামুল উপজেলার পুটখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ইকরামুলের সঙ্গে তার মামাতো বোন মুন্নির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। আগের স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর মুন্নি ইকরামুলকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর ইকরামুল জমি বিক্রির ১৩ লাখ টাকা স্ত্রীর কাছে রাখেন। পরে সেই টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়।

অভিযোগ রয়েছে, টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মুন্নি তার আগের স্বামী, এক বান্ধবী ও অন্য সহযোগীদের নিয়ে ইকরামুলকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। গত ৮ এপ্রিল মুন্নি কৌশলে ইকরামুলকে তার আগের স্বামীর বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে খাবারের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করার পর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ ঘরের ভেতর মাটি চাপা দিয়ে গোপন করা হয়।

Advertisement

ইকরামুল নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা স্ত্রীর বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। তদন্তের একপর্যায়ে পুলিশ মুন্নিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ বসতপুর গ্রামে মুন্নির আগের স্বামী আলফারাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাটি চাপা দেওয়া অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্ত্রী মুন্নি, তার বান্ধবী কাকলি, কাকলির বাবা ফজু মোড়ল এবং মুন্নির আগের স্বামী আলফারাদকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও একজন পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নিহতের মা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।”

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টাকার লোভে সংঘটিত এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। তারা দ্রুত বিচার দাবি করেছেন।

বাঁগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ শরিফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধারের পর আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • সর্বশেষ