শিরোনাম
◈ বজ্রপাতে ১২ বছরে প্রাণ গেল ৩৮৬০ জনের, সবচেয়ে ঝুঁকিতে হাওরাঞ্চল ◈ মেসির রেকর্ড গড়া গোলে টানা তিন জয়ে গ্রুপপর্ব শেষ আর্জেন্টিনার ◈ গোলশূন্য ড্রয়ে গ্রুপসেরা কলম্বিয়া, রানার্সআপ পর্তুগাল ◈ গলায় ইট বেঁধে কুকুর নদীতে নিক্ষেপ: প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ◈ ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি, ‘পূর্ণ শক্তি প্রয়োগ হলে অস্তিত্বই থাকবে না’ ◈ ভারতের বিরু‌দ্ধে সিরিজ জিত‌লে সেটা হবে আমা‌দের জন‌্য স্পেশাল: আয়ারল‌্যান্ড অধিনায়ক ◈ চীনের ১১ প্রতিষ্ঠানের ৯.২১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব পেল বাংলাদেশ ◈ সিগারেট খেতে নিষেধ করায় ছাত্রদল নেতাসহ ছয়জনকে গুলি (ভিডিও) ◈ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এলাকার আশপাশ দিয়ে মাদকের বড় চালান আসে: সংসদে গয়েশ্বর ◈ জামালপুরের সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ গুলশান থেকে গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:৩৬ বিকাল
আপডেট : ২২ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৭৩ বছরেও থামেনি সংগ্রাম: কাঁধে মিষ্টি নিয়ে গ্রাম চষে বেড়ান মুসাব আলী

জামাল হোসেন খোকন, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের হাবিবপুর গ্রামের বাসিন্দা ৭৩ বছর বয়সী মোঃ মুসাব আলী। প্রয়াত বাহাজ্জেল মন্ডলের ছেলে তিনি। তিন পুত্র ও দুই কন্যা সন্তানের জনক এই বৃদ্ধ আজও জীবিকার তাগিদে গ্রামে গ্রামে ঘুরে মিষ্টি বিক্রি করে চলেছেন।

প্রায় ২১ বছর ধরে কাঁধে বাঁকে মিষ্টি নিয়ে জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে হেঁটে হেঁটে বিক্রি করেন মুসাব আলী। ছোট মিষ্টি ১০ টাকা এবং বড় মিষ্টি ২০ টাকা দরে বিক্রি করেন তিনি। প্রতিদিন তার বিক্রি হয় আনুমানিক ১,৫০০ থেকে ২,০০০ টাকার মিষ্টি।

মুসাব আলী জানান, সপ্তাহে পাঁচ দিন তিনি বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে মিষ্টি বিক্রি করেন। তবে বয়সের ভারে আগের মতো আর দীর্ঘ পথ হাঁটতে পারেন না তিনি। এতে তার আয়ও কমে গেছে এবং সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, আগে তিনি কৃষিকাজ করতেন। কিন্তু চাষাবাদে তেমন লাভবান না হওয়ায় এই পেশায় আসেন। প্রায় ২১ বছর আগে পার্শ্ববর্তী এক চাচাতো ভাইয়ের কাছ থেকে মিষ্টি তৈরির কাজ শিখে শুরু করেন এই ব্যবসা। বর্তমানে স্ত্রীকে নিয়ে বাড়িতেই মিষ্টি তৈরি করেন তারা।

সম্প্রতি চিনির দাম কমায় তিনি মিষ্টির দামও কিছুটা কমিয়েছেন। আগে যেখানে প্রতি কেজি মিষ্টি ৩০০ টাকায় বিক্রি করতেন, এখন তা কমিয়ে ২৫০ টাকায় বিক্রি করছেন।

বয়সের ভার ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে আগের মতো কাজ করতে না পারায় অনেকটাই অসহায় হয়ে পড়েছেন এই প্রবীণ ব্যবসায়ী। তবুও থেমে নেই তার জীবনসংগ্রাম। প্রতিদিনের মতো এখনও কাঁধে বাঁকে মিষ্টি নিয়ে বেরিয়ে পড়েন গ্রাম থেকে গ্রামে—শুধু পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর আশায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়