শিরোনাম
◈ সবাই তো ফাতেমা না বা সবাই ফাতেমার আত্মীয় না, কিন্তু সাধারণ মানুষের কী হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ স্বপ্ন ভেঙে কফিনে ফেরা: একদিনে ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ দেশে ◈ দেশে সব ধরণের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ালো সরকার, রোববার থেকেই কার্যকর ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন দ্রুত আদায়ে বিরোধীদলের ভিন্ন কৌশল ◈ আকাশে দেখা মিলেছে জিলকদ মাসের চাঁদ, ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ জানাল আমিরাত ◈ এনসিপি তাদের সঙ্গে যোগ দিতে বলছে, আমি হেসেছি: রুমিন ফারহানা ◈ প্রথম দুই মা‌সে বিএনপি সরকারের অর্জন ও ঘাটতি ◈ সারা দেশে বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু, আহত অন্তত ১৩ ◈ টেস্ট ক্রিকে‌টে পা‌কিস্তা‌নের নতুন কোচ, বাংলাদেশ সিরিজের দল ঘোষণা করলো পিসিবি   ◈ মানবিক ভিসা দেওয়ায় ইরানের দুই নারী ফুটবলার অস্ট্রেলিয়া সরকার‌কে ধন্যবাদ জানালেন  

প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৪২ বিকাল
আপডেট : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফরিদপুরে ২০ এপ্রিল থেকে দেওয়া হবে হামের টিকা, চলবে ১০ মে

হারুন-অর-রশীদ, ফরিদপুর প্রতিনিধি: ফরিদপুরে হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধে জাতীয় পর্যায়ের বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ১১টায় ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে সদর হাসপাতালের তৃতীয় তলার মিলনায়তনে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান সাংবাদিকদের উদ্দেশে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, দেশে সাম্প্রতিক সময়ে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে সরকার এই বিশেষ ক্যাম্পেইন হাতে নিয়েছে। এর আওতায় প্রতিটি শিশুকে বিনামূল্যে এক ডোজ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা হবে।

তিনি আরও জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত দেশব্যাপী এ কার্যক্রম চলবে। ফরিদপুর জেলায় মোট ২,৬৯৩টি টিকাদান কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শিশুদের টিকা দেওয়া হবে। এসব কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে ৭৩৮টি স্থায়ী ইপিআই কেন্দ্র, ১০টি অতিরিক্ত কেন্দ্র, ১৪টি বিশেষ টিকাদান কেন্দ্র এবং ১,৯৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত অস্থায়ী কেন্দ্র।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, পূর্বে নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় ৯ ও ১৫ মাস বয়সে টিকা গ্রহণ করলেও এই ক্যাম্পেইনে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রতিটি শিশু অতিরিক্ত একটি ডোজ টিকা পাবে। এতে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও জোরদার হবে। তবে দুটি ডোজের মধ্যে অন্তত ২৮ দিনের ব্যবধান বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ফরিদপুর জেলায় এ ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৫ জন শিশু। জেলার ৯টি উপজেলা, ৭৯টি ইউনিয়ন, ২৩৭টি ওয়ার্ড এবং পৌরসভার ২৭টি ওয়ার্ড এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

ক্যাম্পেইন সফল করতে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। গণসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ আয়োজন করা হয়েছে। মসজিদসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ইমামদের মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।

এ সময় বক্তব্য রাখেন প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক পান্না বালা। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে জেলার বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, “হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে এই ক্যাম্পেইন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অপপ্রচার রোধ করে সবাইকে সচেতন করতে পারলে আমরা একটি সুস্থ ও নিরাপদ প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারব।” তিনি এ কার্যক্রম সফল করতে সাংবাদিকসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়