শিরোনাম
◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান ◈ বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি ঝুঁকিতে, বাড়তে পারে দারিদ্র্য: বিশ্বব্যাংক ◈ হাসনাত আবদুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ ◈ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:০৬ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মেঘনায় খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন, জলাবদ্ধতা নিরসনে নতুন আশার আলো

হোসাইন মোহাম্মদ দিদার (দাউদকান্দি) কুমিল্লা: দেশব্যাপী খাল খনন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মেঘনা উপজেলার লক্ষণখোলা গ্রামে মুগারচর-লক্ষণখোলা খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে এ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। 

এই উদ্যোগকে স্থানীয়দের জন্য জলাবদ্ধতা নিরসন ও কৃষি ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। উদ্বোধন করেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন।

কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন, মেঘনা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমী আক্তার।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. শহীদুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ—রমিজ উদ্দিন লন্ডনী, এমএম মিজানুর রহমান, সালাউদ্দিন সরকার, দিলারা শিরীন এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফখরুদ্দিন রাজী।

উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. খন্দকার মারুফ হোসেন বলেন, “খাল খনন কার্যক্রম শুধু পানি নিষ্কাশনের পথই সুগম করবে না, এটি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকার ঘোষিত এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের জীবনমান উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।”

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে খালটি ভরাট ও অকার্যকর হয়ে থাকায় বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হতো। খাল খননের মাধ্যমে এ সমস্যা অনেকাংশে দূর হবে বলে তারা আশা করছেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং কৃষিনির্ভর জনগোষ্ঠী সরাসরি উপকৃত হবে।

  • সর্বশেষ