শিরোনাম
◈ হামের থাবায় বাংলাদেশ, টিকাদানের ঘাটতি নিয়ে বিশ্বকে সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা ◈ দুই সপ্তাহের মধ্যে আজিমপুর কোয়ার্টার পরিচ্ছন্ন করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ সৌদিতে কূটনৈতিক তৎপরতায় শ্রীলঙ্কানের মৃত্যুদণ্ড বাতিল, দুই বাংলাদেশির বেলায় কী হলো? ◈ একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু, স্বজনদের দাবি রাতে খেয়েছিলেন নুডলস ◈ শিশু হাসপাতালে চিকিৎসকের কক্ষে ধূমপান, দেখেই বরখাস্তের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর (ভিডিও) ◈ ড্যাপের নতুন সংশোধনীতে বুড়িগঙ্গার তীরে ভারী শিল্পের অনুমোদন, বন্যাপ্রবাহ এলাকায় আবাসন প্রকল্পের সুযোগ ◈ যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে অবস্থান করলে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, ফৌজদারি মামলার হুঁশিয়ারি মার্কিন দূতাবাসের ◈ ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থী-তরুণদের এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর, পরিচ্ছন্নতায় জোর দিতে নির্দেশনা ◈ বাংলাদেশে টমেটো ও আলুর সংগ্রহ-পরবর্তী বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট এক-তৃতীয়াংশ ধানে ১০.২৪% ◈ ত্রিদেশীয় সিরিজে প্রথম ম‌্যাচ সন্ধ‌্যায়, মু‌খোমু‌খি বাংলা‌দেশ ও জিম্বাবু‌য়ে

প্রকাশিত : ১৮ মার্চ, ২০২৬, ০৩:১৯ দুপুর
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মাংসের আশায় টাকা জমা, শেষমেশ উধাও সমিতির পরিচালকরা

ঈদকে সামনে রেখে মাংস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বছরজুড়ে সঞ্চয়ের নামে প্রায় ৭৭ লাখ টাকা সংগ্রহ করে উধাও হয়ে গেছে একটি সমবায় সমিতির পরিচালকরা। ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়া শহরের মালগ্রাম চাপড়পাড়া এলাকায়।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে নির্ধারিত দিনে মাংস নিতে এসে প্রতারণার বিষয়টি জানতে পারেন ভুক্তভোগীরা। এতে ক্ষোভে ফেটে পড়েন প্রায় ১২০০ পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মালগ্রাম নতুনপাড়া এলাকার আব্দুল হাকিম, আকরাম ও শাহিন নামের তিন ব্যক্তি ফোর স্টার বিজনেস সমবায় সমিতি নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। তারা ঈদ উপলক্ষে সারা বছর সাপ্তাহিক কিস্তিতে টাকা জমা নিয়ে শেষে মাংস দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

সমিতির সদস্যদের দাবি, প্রতি কার্ডের মূল্য ছিল ৫ হাজার টাকা। অনেক পরিবার একাধিক কার্ড নেওয়ায় মোট প্রায় ৭৭ লাখ টাকা জমা পড়ে। তবে নির্ধারিত দিন ১৫ মার্চ মাংস বিতরণ না করে তারা সময় পরিবর্তন করে ১৭ মার্চ নির্ধারণ করে। কিন্তু ওই দিনও তারা উধাও হয়ে যান।

Advertisement

চাপড়পাড়া এলাকার বাসিন্দা পারুল বলেন, অনেক কষ্ট করে প্রতি সপ্তাহে ১০০-১৫০ টাকা করে জমা দিতাম, যেন ঈদে পরিবার নিয়ে ভালোভাবে কাটাতে পারি। কিন্তু এখন সব শেষ।

অন্য ভুক্তভোগী আখলি বেগম জানান, ১০-১২ কেজি মাংস পাওয়ার আশা ছিল। এখন শুনছি তারা পালিয়েছে। এই ঈদে হয়তো মাংসই খেতে পারব না।

ঘটনার পর সমিতির কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে স্টেডিয়াম ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক কামরুজ্জামান জানান, ভুক্তভোগীদের থানায় অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভুক্তভোগীরা দ্রুত তাদের সঞ্চিত টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উৎস: আরটিভি অনলাইন।

 

 

  • সর্বশেষ