শিরোনাম

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০২৬, ০৭:১৮ বিকাল
আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৫০০ টাকা না পেয়ে ভাবিকে হত্যা, দেবর গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ৫০০ টাকা ধার না পেয়ে ভাবিকে হত্যা করার অভিযোগে দেবর নুর শাহিনকে (১৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো একটি দাও উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, বুধবার (১১ মার্চ) ভোরে উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের মুছারখোলা এলাকায় নিজ ঘর থেকে গৃহবধূ জদিদা আক্তারের (২২) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে জদিদা আক্তারের সঙ্গে দিনমজুর শফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে চার বছরের এক ছেলে ও দুই বছরের এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় ২০ দিন আগে কাজের সন্ধানে শফিকুল ইসলাম বান্দরবানে যান। ঘটনার দিন ভোরে পরিবারের সদস্যরা সেহরির জন্য ডাকতে গিয়ে জদিদাকে ঘরের মেঝেতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় একটি এবং মাথার পেছনে দুটি ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা নুরুল ইসলাম অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে উখিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ জানায়, মামলাটি প্রথমে ক্লু-লেস ছিল। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে পালংখালী ইউনিয়নের গয়ালমারা এলাকায় এমএসএফ হাসপাতালের পাশের একটি বাড়ি থেকে নুর শাহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে নুর শাহিন হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তিনি জানান, নিহত জদিদা আক্তারের কাছে ৫০০ টাকা ধার চেয়েছিলেন। টাকা না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন।

গ্রেপ্তারকৃতের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে রাতেই অভিযান চালিয়ে পালংখালী ইউনিয়নের মুছারখোলা এলাকার চিত্তাখোলা খালের পাড় থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঠের হাতলযুক্ত ২১ ইঞ্চি লম্বা একটি ধারালো দা উদ্ধার করা হয়।

উখিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল আজাদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দ্রুত অভিযানে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়